Saturday, March 14, 2026
- Advertisement -

আজ, মঙ্গলবার হচ্ছে ৪৮তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন 

- Advertisement -

আজ, মঙ্গলবার হচ্ছে ৪৮তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন

এক বছর অপেক্ষার পরে আজ আবার আসছে নতুন বইয়ের গন্ধ – যা বই প্রেমীদের মনে নিয়ে আসে উন্মাদনা। এই বইমেলার উদ্বোধন করবেন উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বছর বইমেলার থিম কান্ট্রি জার্মানি। বিশ্ব–পুস্তকের ডালি সাজিয়ে হাজির থাকছেন আরও অনেক দেশের প্রকাশক। উদ্বোধনী মুহূর্তে উপস্থিত থাকবেন, জার্মান রাষ্ট্রদূত ডক্টর ফিলিপ আকারমান-সহ বিশিষ্ট সাহিত্যিকরা। এবারের বইমেলায় সর্বাধিক প্রকাশক এবং লিটল ম্যাগাজিনের সংখ্যা আগের বারের তুলনায় অনেকটাই বেশি। প্রায় ১০০০টি স্টল থাকছে এবারের বইমেলায়। সঙ্গে থাকছে ব্রিটেন, আমেরিকা, ফ্রান্স, স্পেন সহ  অন্যান্য বেশ কিছু দেশের পাবলিশার্সরা। এছাড়াও এবারের বইমেলা প্রাঙ্গণের গেট গুলির নামকরণ করা হয়েছে বিশেষ ব্যক্তিবর্গের নাম অনুকরণে।পাবলিশার্স এবং বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানান, ” আমরা বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে স্টল দিয়েছি। ওঁরা নাম পরিবর্তন করে রেখেছে বিশ্ব হিন্দু বার্তা। সেই ১৯৯৬ সাল থেকে কলকাতা বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ। এবছর তারা নেই। আমরা দুঃখিত। এই পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু বলার নেই। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও আবেদন করা হয়নি। আসা করব দ্রুত এই পরিস্থিতি ঠিক হবে।”

কলকাতার আন্তর্জাতিক বই মেলার সঙ্গে জার্মানির একটা বিশেষ সম্পর্ক আছে। মনে করা হয়, এই জার্মানি থেকেই কলকাতা বইমেলার ভাবনা উদ্ভুত হয়েছিল। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা নিয়মিত যেতেন ফ্র্যাঙ্কফুর্ট বইমেলায়।১৯৭৬ সালে কলকাতা বইমেলা আয়োজনের প্রথম চিন্তাভাবনা এসেছিল জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বইমেলা থেকেই। তারপর থেকে কলকাতা বইমেলার ৪৮ বছর কেটে গেলেও থিম কান্ট্রি হিসেবে জার্মানি কখনও অংশগ্রহণ করেনি। মেলার সময়কালীন আবহাওয়া সাধারণত মনোরম থাকবে। শীত অনেকটাই কম। বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস আপাতত নেই। তাই এবছরের বইমেলা নির্বিঘ্নেই হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। থাকছে গণপরিবহনের বিশেষ ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই কলকাতা মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, গ্রিন লাইনে চলবে স্পেশ্যাল মেট্রো। রবিবারও পাওয়া যাবে মেট্রো। এছাড়াও বইমেলা উপলক্ষ্যে ‘‌স্পেশাল বাস’‌ চালাবে রাজ্য সরকার বেশ কয়েকটি রুটে। সরকারি বাস সল্টলেক করুণাময়ী হয়ে নানা জায়গায় চলাচল করবে। সব মিলিয়ে কলকাতা আবার প্রমাণ করতে চলেছে যে কলকাতায় সিনেমা, থিয়েটার, মোবাইল থাকলেও কলকাতা কিন্তু বইকে ভুলে নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments