আদালতে কান্নায় ভেঙে পরেন তিলোত্তমার বাবা
পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আদালতে বিচারক সহ সব পক্ষ উপস্থিত হয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পুলিশ অপরাধী সঞ্জয় রায়কে এজলাসে ঢোকায়। শুরু হয় রায়দান পর্ব। তিলোত্তমার বাবা ও মা উপস্থিত ছিলেন আদালতে। তিলোত্তমার বাবা প্রথমে কলকাতা পুলিশ, তার পরে সিবিআই-এর তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন৷ যদিও শনিবার আদালত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করার পর বিচারক অনির্বাণ দাসকে ধন্যবাদ জানালেন নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মা৷ খুশি প্রায় সবাই। আদালতে সকলে উল্লাস করে ওঠে।
শনিবার ঠিক আড়াইটার সময় যখন বিচারক আদালতে প্রবেশ করেন তখন ঘরে প্রবল চিৎকার হচ্ছিল। বিচারক সকলকে থামতে বলে কথা শুরু করেন। প্রত্যাশিত ভাবেই আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করেন শিয়ালদহ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (১) অনির্বাণ দাস৷ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণের পর মৃত্যু) এবং ১০৩ (১) (খুন) ধারায় সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক৷ আগামী সোমবার সঞ্জয়ের শাস্তি ঘোষণা করবেন বিচারক অনির্বাণ দাস৷ বিচারক রায়দান শেষ করার পরই উঠে দাঁড়ান নির্যাতিতার বাবা৷ বিচারক অনির্বাণ দাসের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনার উপর ভরসা রেখেছিলাম। আপনি পূর্ণ মর্যাদা দিয়েছেন।’ সেই মুহূর্তে সমস্ত আদালত কক্ষ সম্পূর্ণ নীরব। শুধুই শোনা যাচ্ছে তিলোত্তমার বাবার কান্না।

