আবার ঢাকার রাস্তা রক্তে ভিজলো
বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন বিশ্বের ছাত্র সমাজের কাছে অনুপ্রেরণা। শুধু মাতৃ-ভাষার দাবিতে ঢাকার ছাত্র আন্দোলকে সারা পৃথিবী স্মরনে রেখেছে। সম্প্রতি কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলেই দেশের সরকার পরিবর্তন হয়ে গেলো। আবার শুরু হয়েছে এক নতুন ছাত্র আন্দোলন। এবারও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকার রাজপথে রক্ত বইছে। প্রকৃতপক্ষে, সেখানকার দুটি দল চায় নবম ও দশম শ্রেণির বইয়ে উপজাতি শব্দটি অন্তর্ভুক্ত করা হোক এবং তাদের সম্পর্কে সেখানে বিস্তৃত বিবরণ থাকুক৷ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সামনে তারা বিক্ষোভ করেন। এদিকে আরও একটি দল এই পুরো বিষয়টির বিরোধিতা করছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই উভয় গ্রুপ মুখোমুখি দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। দুর্বৃত্তরা সংখ্যালঘুদের ঘিরে ধরে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে। এ কারণে ঢাকার রাজপথে ফের রক্তের ধারা বয়ে যায়৷ আন্দোলনের সঙ্গে কেউ সহমত নাও হতে পারে, তাই বলে আন্দোলন বন্ধ করতে অন্য পক্ষের লাঠি হাতে নেওয়া নিন্দার।
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দলের বিক্ষোভকারীরা মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই লাঠিসোটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। আগ্রাসন ছিল মারাত্মক হুমকি দেওয়া হচ্ছিল মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার, যা করাও হয়৷ তাদের দাবি, সার্বভৌমত্বের জন্য ছাত্রদের দাবি বই থেকে উপজাতি শব্দটি মুছে ফেলা হোক, এর জায়গায় জুলাই বিদ্রোহ ব্যবহার করা হোক। যারা উপজাতি শব্দটি যুক্ত করেছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। যেখানে সংখ্যালঘুদের দাবি উপজাতিরা এই দেশেরই একটি অংশ। তাই তাদের সম্পর্কে পাঠ্যক্রমে থাকা উচিত। তারা তা বহাল রাখার দাবি জানান। এরপর স্টুডেন্টস ফর সবের্নিটি-র আন্দোলনকারীরা তাদের সামনে এসে বাগবিতণ্ডা শুরু করে। হামলায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী গুরুতর আহত হয়। যে ছবি এবং ভিডিওগুলি সামনে আসছে তাতে ফের একবার বাংলাদেশের রাস্তা রক্তে রাঙা এরকম দেখা যাচ্ছে।

