ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতির হাল একদম তলানিতে
মহম্মদ ইউনুস হলেন বিশ্বের একজন অন্যতম অর্থনীতিবিদ। কিন্তু তিনি বাংলাদেশের হাল ধরার পরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা ছিল। তারা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করত। কিন্তু এখন সেই একই মুহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ মন্দার অতলে তলিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফের প্রতিবেদন অনুসারে, প্রবৃদ্ধির হার অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং চাকরির বাজারে অসীম শূন্যতা৷
বাংলাদেশ যে গার্মেন্টস বা কাপড়ের শিল্প নিয়ে গর্ব করত, সেই জায়গাতেই নিজেকে উদ্ধারের জন্য কী করবে তা ভাবছে। আর বাংলাদেশের এই অধঃপতনে থেকে সরাসরি লাভবান হতে পারে ভারতের গার্মেন্টস শিল্প। আসল কথা হলো, বাংলাদেশের অশান্তির প্রভাব পড়েছে বস্ত্রশিল্পে। অনেক কারখানা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। বেকারি বাড়ছে। বিদেশের বহু শিল্পপতি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে আসার কথা ভাবছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে – যা সামনে আসে শনিবার। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,শেখ হাসিনার এভাবে দেশত্যাগ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করেছে। তারা টাকা বিনিয়োগ করতে ভয় পাচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশের শিল্প কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছে। কোভিডের আগে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.৯ শতাংশ। এটি ছিল বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম। বাংলাদেশ একসময়ে ভারতের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে টক্কর দিত৷ এখানকার পোশাক শিল্প ভারতের পোশাক শিল্পের চেয়ে উন্নত ছিল। কিন্তু আজ সেখানকার পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে গেছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪.১ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক। এর সোজাসুজি অর্থ সেখানে আর্থিক পরিস্থিতির তীব্র পতন হয়েছে। অথচ ভারতের অবস্থা অনেক ভালো। তাই বাংলাদেশ যত ভারত বিরোধিতা করবে ততই আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়বে বলেই ধারণা বিশ্ব অর্থনীতিবিদদের।

