কোচবিহারের শুভেন্দুর কনভয়ে হামলা তৃনমূলের! ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হল বিরোধী দলনেতার একের পর এক কনভয়
মনিপুষ্পক খাঁ – কোচবিহারের প্রতিবাদ কর্মসূচি তে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা NRC বিরোধীতায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করে রাজ্যের শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস। বিরোধী দলনেতা যাওয়ার রাস্তাতেই কোচবিহারের ১৯ জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃনমূল সমর্থকরা।
খাগড়াবাড়ি তে বিরোধী দলনেতার কনভয় লক্ষ্য করে হামলা চালাতে থাকে বিক্ষুব্ধ তৃনমূলের কর্মী সমর্থকরা। লাঠি, বাঁশ দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতার একের পর এক কনভয়। পাথর ছুঁড়ে ভাঙা হয় শুভেন্দুর সাথে থাকা পুলিশের একাধিক গাড়ির কাঁচ। হামলার অভিঘাতে বিরোধী দলনেতার বুলেট প্রুফ গাড়ির কাঁচও ভেঙে যায় এমনই অভিযোগ বিজেপির। পুলিশের সামনেই চলতে থাকে এই তান্ডব। শুভেন্দু কে উদ্দেশ্য করে চোর স্লোগান ও কালো পতাকা দেখাতে থাকে তৃনমূল সমর্থকরা ।কোনোমতে নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় এলাকা ছাড়েন বিজেপি নেতা।
মঙ্গলবার কোচবিহারের এই ঘটনার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু জানিয়েছেন – ” বুলেট প্রুফ গাড়িতে ছিলাম বলে বেঁচে গেছি, নাহলে মৃত শরীর পরে থাকতো। যে ভাবে বড়ো বড়ো বাঁশ দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে তাতে সেই আঘাত লাগলে বাঁচার কথা নয়।”
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারের প্রতিক্রিয়া – ” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছে, পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দনীয়।”
রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যাওয়ার কথা সেই রাস্তা তে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের জন্য হাজারের বেশি মানুষকে জমায়েতর অনুমতি কীভাবে দিল পুলিশ ? শুভেন্দুর উপর হামলার কোনো গোয়েন্দা তথ্য কেন ছিলনা পুলিশের কাছে ?
যদিও শাসক দল তৃনমূল সবটাই মিথ্যা ও সাজানো ঘটনা বলে দাবি করেছে।

