গাজা-হামাসের যুদ্ধ বিরতি – ক্রেডিট নিতে চাইছেন বাইডেন ও ট্রাম্প দু’জনেই
দীর্ঘদিন পরে শেষ পর্যন্ত গাজা ও ইসরাইল যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হয়েছে – যা সারা বিশ্বের কাছে খুবই খুশির খবর। ইতিমধ্যে ৪৬ হাজার মানুষের প্রাণ গেছে। এবার চাই শান্তি। কিন্তু বিতর্ক অন্য জায়গায়। কার নেতৃত্বে এই শান্তি স্থাপন হলো? বাইডেন না ট্রাম্প। প্রসঙ্গত স্মরণীয় কিছুদিনের আগেই গজার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেছিলেন, তার শপথ নেওয়ার আগে যদি গাজা ও ইসরাইল যুদ্ধ বন্দীদের ছেড়ে না দেয় তাহলে তিনি তার শেষ দেখে ছাড়বেন। আর বাস্তবিক হলো তাই। স্বাভাবিক কারণেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন তার উদ্যোগেই দু’পক্ষ যুদ্ধবিরতি রাজি হয়েছে।
জো বাইডের কোনো মতেই সেই ক্রেডিট হাত ছাড়া করতে রাজি না। বাইডেন গত ৩১ মে সর্বপ্রথম ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চুক্তির রূপরেখা প্রস্তাব করেছিলেন। তবে এই ব্যাপারে কয়েক দফায় কূটনৈতিক তৎপরতা নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। গত আগস্টে তেল আবিব সফরে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, এটাই হয়তো চুক্তির শেষ সুযোগ। বাইডেনের দাবি এটাই চুক্তি সম্পাদনের প্রদান কারণ।
চুক্তির পর পরই ট্রাম্প দাবি করেছেন, গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়েছেন বলেই চুক্তিটি সম্ভব হয়েছে। ট্রাম্পের কৃতিত্ব আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন বলেন, ‘এটা কি কোনো তামাশা?’ বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিদায়ী ভাষণ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন এক সুরে কথা বলতে পারে তা নিশ্চিত করতে তিনি ট্রাম্পের প্রতিনিধি দলকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। সব মিলিয়ে বাইডেন ও ট্রাম্পের দাবির লড়াই জমে উঠেছে।

