Saturday, February 7, 2026
- Advertisement -

ঘুটিয়ারি শরীফে চোর সন্দেহে নিহত’ জামিল উদ্দিনের পরিবারের পাশে নওশাদ সিদ্দিকী, দোষীদের কঠোর শাস্তি ও সরকারি আর্থিক সাহায্যের দাবি

- Advertisement -

 

বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা :- রবিবার বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এলেন ঘুটিয়ারি শরিফ রবিন্দ্র নগরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত সেখ জামিল উদ্দিনের বাড়িতে। সেখানে তিনি জামিল উদ্দিনের মা বাবা, স্ত্রী ও সকল বোনের সঙ্গে কথা বলেন। সাক্ষাতের সময় নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “আমি আই.এস.এফ.এর নেতা ও বিধায়ক হিসেবে আপনাদের বাড়িতে আসিনি। আমি একজন মানুষ হিসেবে অসহায় বোনদের দেখতে এসেছি।

সরকারকে বলবো, এই অসহায় পরিবারকে বাঁচাতে দু’জনকে স্থায়ীভাবে সরকারি চাকরি দিতে হবে এবং ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

একই সঙ্গে সমস্ত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বিধায়ক অভিযোগ করেন,কারণ পুলিশ আপনাদের পাশে নেই। উল্লেখ্য তৃণমূলের সাধারন সম্পাদক কাশেম সিদ্দিকী শনিবার ক্যানিং এসে বলেন,এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে এলাকা আতঙ্কে আছে,কিন্তু সবার আগে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে এই পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিলো,বিধায়ক কেনো নিহতদের বাড়িতে যাননি?।

বিধায়ক অসুস্থতা থাকার কারণে যেতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি। এই নিয়ে বিয়াধক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, বিধায়ক পরেশ রাম দাস কোনো অসুস্থ ছিল না,সেদিন তিনি বিধানসভায় উপস্তিত ছিলেন।নিহত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হোসেন গাজী (দেশ বাঁচাও সামাজিক কমিটির রাজ্য সম্পাদক ও মানবাধিকার কর্মী),গাজী সাহাবুদ্দিন সিরাজী,

আবদুল মালেক মল্লা,জিয়ারুল ইসলাম ঢালী,সাইনুর লস্কর,সহ এলাকার বিশিষ্ট জনেরা।বিধায়ক পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকী তিনি মৃতের শোকাহত পরিবারকে শান্ত্বনা দেন এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়ে হত্যাকারীদের যথাযথ ব্যবস্থা করানোর আশ্বাস দেন। বিধায়ককে পাশে পেয়ে মৃতের পরিবার লড়াই করার মানসিক শক্তি ও সাহস পেয়েছে বলে জানিয়েছে। বিধায়ককে দেখার জন্য মৃতের বাড়ি থেকে শুরু করে ঘুটিয়ারী-মোকরমপুর রোডের দুই ধারে নারী-পুরুষের উপস্থিতি ও আবেগ ছিল চোখে পড়ার মতো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments