Saturday, February 7, 2026
- Advertisement -

ছবি এঁকে রোজগার করা যায় অনেক টাকা 

- Advertisement -

 

ছবি এঁকে রোজগার করা যায় অনেক টাকা

যদি মনে শিল্পবোধ আর গেট ছবি আঁকার ক্ষমতা থাকে তাহলে খুব ভালো রোজগারের পথ খুলে যেতে পারে। এই প্রসঙ্গেই আজ আমরা আপনাদের পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের বাসিন্দা নবকুমার পালের গল্প শোনাবো। ছোটবেলা থেকেই তুলি নিয়ে রং করা বা আঁকার দক্ষতা ছিল। ধীরে ধীরে সেই আঁকাকেই নিজের পেশায় বদল করেছে। বর্তমানে ৬০ পেরিয়েও সমান দক্ষতায় শাড়ির উপর এঁকে চলেছে একের পর এক কারুকার্য। আর এই শাড়ির উপর আঁকার দক্ষতা তাঁকে ভরসা যুগিয়েছে রোজগারের নতুন পথ খুঁজে নিতে।

বর্তমানে মোম বাটিক শিল্পে শাড়ি তৈরি করে শুধু নিজে নয়, আর্থিক স্বনির্ভরতার পাঠ দিচ্ছে এলাকাবাসীকে। তাঁত কিংবা সিল্ক যে কোনও শাড়ির ওপর হাতের তুলির টানে বিভিন্ন ডিজাইন ফুটিয়ে তোলেন তিনি, কোথাও রয়েছে বাঁকুড়ার পোড়ামাটির কারুকার্য, কোথাও বা সিল্কের ওপর শান্তিনিকেতনের ডট আঁজি দিয়ে নকশা ফুটিয়ে তোলেন তিনি। কোথাও বা মধুবনী নকশা, আবার রবি ঠাকুরের ছবি কিংবা দূর্গা প্রতিমা-সহ বিভিন্ন নকশা ফুটিয়ে তোলেন বিভিন্ন শাড়িতে। আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন শাড়ি শিল্পী।

শুধু এই শিল্পকে ভালোবাসতে হবে। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের বাসিন্দা নবকুমার পাল, তিনি ছোট থেকেই ছবি আঁকায় পটু ছিলেন, আর তা থেকেই ধীরে ধীরে তুলির টানে হাতের কারুকাজের দ্বারা শাড়ি, উত্তরীয়, চাদরে আল্পনা আঁকেন তিনি। বর্তমানে তিনি শুধু নিজে না এলাকাবাসীর মানুষকে স্বনির্ভর করেছে। বিষয়ে নবকুমার পাল জানান, ‘ছোট থেকেই তুলির প্রতি একটা টান ছিল। শাড়িতে আঁকি-বুকি করেই স্বনির্ভরতার পথ খুঁজে পেয়েছি। অর্ডার অনুযায়ী শাড়িতে নানা রকমের কারুকার্য ফুটিয়ে তোলা হয়। শান্তিনিকেতনী ঘরনার, পাশাপাশি মধুবনী-সহ নানান শিল্প মাধ্যম শাড়িতে ফুটিয়ে তোলা হয়। বর্তমানে সারা দিনে সাত থেকে আটটা শাড়িতে আঁকার কাজ হয়। আমাকে দেখে আশেপাশের মানুষ যেন এই কাজ করে সফল হচ্ছেন।’ তাই চাকরির ভাবনা ছেড়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন শাড়ি শিল্পী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments