জীবনের যাত্রায় একসঙ্গে পথচলা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রিপোর্ট কার্ডে জনকল্যাণের সামগ্রিক চিত্র
টিভি ২০বাংলা ডেস্ক:- পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের ১৪ বছর ৬ মাসের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেছে, যেখানে ফুটে উঠেছে কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মা-মাটি-মানুষের সরকার বাংলার প্রতিটি নাগরিকের জীবনযাত্রায় অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে। রিপোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য ও আকর্ষণীয় অংশ হল *‘আজীবনের সাথী’*। এখানে দেখানো হয়েছে, এই সরকারের শাসনব্যবস্থা কেবল বিচ্ছিন্ন কিছু জনমুখী উদ্যোগ নয়, বরং জন্ম থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত মানুষের জীবনের প্রতিটি ধাপে সুরক্ষা, মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তার এক নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ। রিপোর্ট কার্ডে একটি সুচিন্তিত ও সুদৃশ্য পোস্টারের মাধ্যমে আক্ষরিক অর্থেই এই জীবন-যাত্রার মানচিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে কীভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার নাগরিকদের হাত ধরে এগিয়ে চলে।
একটি শিশু জন্মের আগে থেকেই ‘মাতৃ মা’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রসূতি মায়ের যত্ন সুনিশ্চিত হয়। এরপর শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সার্বিক বিকাশে রয়েছে ‘শিশু সাথী’ ও ‘শিশু আলয়’-এর মতো প্রকল্প। তরুণ প্রজন্ম যখন উচ্চশিক্ষার দোরগোড়ায় পা রাখে, তখন টাকার অভাবে যাতে তাদের স্বপ্নভঙ্গ না হয়, তার জন্য রয়েছে ‘স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড’, বিভিন্ন স্কলারশিপ এবং ‘তরুণের স্বপ্ন’-এর মতো যুগান্তকারী উদ্যোগ। কর্মক্ষম যুব-সমাজের জন্য ‘যুবশ্রী’ আর্থিক সহায়তা প্রদান করে, আর কন্যাসন্তানের বিয়ের সময় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রয়েছে ‘রূপশ্রী’, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ কমাতে সরকারের সদিচ্ছারই প্রতিফলন।
রিপোর্ট কার্ডে নারী ও প্রবীণ নাগরিকদের সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বীকৃত ‘কন্যাশ্রী’ এবং ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর মতো প্রকল্প আর্থ-সামাজিকভাবে মেয়েদের ক্ষমতায়ন ঘটিয়েছে। পাশাপাশি বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা প্রবীণ বয়সে নিরাপত্তা ও অবলম্বন যোগাচ্ছে। সেবার এই বৃত্ত সম্পূর্ণ করে জীবনের অন্তিম লগ্নেও সরকার মানুষের পাশে থাকে; দাহ বা সৎকারের জন্য অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করে সরকার প্রমাণ করেছে যে, এই শাসনব্যবস্থা আক্ষরিক অর্থেই জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সাথী।

