টাকার অভাবে স্বপ্ন ভেঙে যেতে বসেছে বৈদ্যবাটির অসাধারণ প্রতিভা অতনুর
টাকার অভাবে এমন বহু প্রতিভা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। যেমন হয়ে যেতে চলেছে হুগলী বৈদ্যবাটির অতনু হালদারের। পরিত্যক্ত কারখানার আবাসন মাথা গোঁজার জায়গা। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। এই অবস্থাতেই এই পরিবারের তরুণের দৃশ্য যোগাসন চ্যাম্পিয়নের যোগ দেওয়ার সুযোগ! ২৯ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিযোগিতা হবে ভিয়েতনামের হানায়াতে। যাতায়াতের খরচে প্রায় লাখ টাকা। ছেলের স্বপ্নপূরণের সেই টাকা জোগাড়ের জন্য দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়ে রয়েছেন মা-বাবা। হুগলির বৈদ্যবাটি পৌরসভা ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দারিদ্র জঙ্গল রোডের বাসিন্দা ওই তরুণ অতনু হালদার। বৈদ্যবাটি বনমালী মুখার্জি ইনস্টিটিউটের একাদশ শ্রেণীর কলা বিভাগের ছাত্র অতনু। বিশ্বের আঙিনায় যোগাসন প্রতিযোগিতায় পৌঁছান যে কতটা কঠিন তা সে ভাল মতই জানে।
পারিবারিক অভাব তার প্রতিভার বিকাশের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারিবারিক অবস্থার মধ্যে সে কীভাবে বিশ্ব যোগাসনে প্রতিযোগী হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলেও যদি একবার সেখানে পৌঁছাতে পারে তাহলে দাঁতের দাঁত চেপে হলেও নিজের সেরা পারফরমেন্সটা দেবে এমনটাই জানিয়েছে অতনু। অতনুর বাবা সঞ্জয় হালদার একজন ভ্যানচালক। মা বুলু হালদার তিনি জানান, ভিয়েতনামে যাওয়ার জন্য ৩৫ হাজার টাকা পাঠানোর কথা ছিল সোমবারের মধ্যে। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় হয়ে ওঠেনি এখনও। রাজ্য যোগা সংস্থার কাছে আরও পাঁচ দিন সময় চেয়েছেন তারা। তিনি বলেন, ছেলের স্কুল ক্লাবের প্রশিক্ষক স্থানীয় পুরপ্রতিনিধি পুরপ্রধান বিধায়ক সকলকে জানিয়েছেন তিনি এ বিষয়ে।

