ট্রাম্পের ধমকে নরম হলো হামাস
ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধে প্রথম থেকেই ইসরাইলের মাথায় আশীর্বাদের হাত রেখেছে আমেরিকা। এখনও ট্রাম্প ক্ষমতার চেয়ারে বসেন নি, কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করেছেন। সেইভাবেই তিনি বলেছিলেন, তাঁর রাষ্ট্রপতির আসনে বসার আগে যুদ্ধবন্দিদের মুক্ত না করলে হামাসের ‘শেষ দেখে ছাড়া’ হবে। ব্যাস, ভয় পেয়ে গেছে হামাস। শুরু করেছেন বন্দিমুক্তি। অবশেষে গাজায় এবার যুদ্ধবিরতির সম্ভবনা। প্রথম দফাতেই ৩৩ জন যুদ্ধবন্দিদের মুক্তি দিতে রাজি হামাস গোষ্ঠী। এই প্রসঙ্গে এক দফা খসড়া চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বললেই চলে। এবার হয়তো একেবারের জন্য যুদ্ধে দাঁড়ি টানবে ইজ়রায়েল ও হামাস গোষ্ঠী। এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে আমেরিকা সূত্রে। নির্বাচনের পর পরই হামাসের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে এক প্রকার হুঙ্কার তুলেছিলেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এবার তার ফল ফালতে শুরু করেছে। সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন হুঙ্কার যে মধ্যপ্রাচ্যের অন্দরে জমি নাড়িয়ে দিয়েছিল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। তাই হয়তো আর ‘শেষ দেখতে হয়নি’। তার আগেই গুটি গুটি পায়ে যুদ্ধবিরতির পথে এগিয়ে গিয়েছে দুই যুযুধান গোষ্ঠী ইজরায়েল ও হামাস। এদিন ট্রাম্প বলেন, ‘সোমবার আমার শপথগ্রহণ। আর তার আগেই ইজরায়েল-হামাস সংঘাতে বিরতি আনা সম্ভব হবে। অনুমান, সোমবারের আগেই হয়তো ঘোষণা হয়ে যাবে যুদ্ধবিরতির।’ এই প্রসঙ্গে মুখ খুলতে বাকি রাখেননি বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। যত অভিযোগ থাক, আসল কথা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ বন্ধ করা। এই ক্ষেত্রে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত সফল বলেই জানা যাচ্ছে।

