দলের গুরুত্বহীন নেতা-নেত্রীদের জন্য থাকা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক
একটা বড়ো ধাক্কা বিজেপির কাছে। আবার অনেকে মনে করছেন, এটা আসন্ন ভোটে তাদের মাইলেজ দেবে। ব্যাপারটা হলো, বাংলায় হঠাৎ করেই বিজেপির ৩২ জন নেতা-নেত্রীর উপর থেকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হলো।
যাঁদের মধ্যে প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা ও দলের রাজ্য কমিটির সদস্য শঙ্কুদেব পন্ডাও রয়েছেন। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ, প্রাক্তন জেলা সভাপতি থেকে বর্তমান জেলা সভাপতিও। এবং গত লোকসভা নির্বাচনের কয়েকজন প্রার্থীও রয়েছেন। বঙ্গ বিজেপির দলীয় কোন্দল নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা চরম ক্ষুব্ধ। এর পিছনে অবশ্য বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের দলীয় কোন্দলকে অনেকে দায়ী করেছেন।
বিজেপির রাজ্য সংগঠন নিয়ে খুব খুশি নয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সারানো হলো। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের যে তালিকা সামনে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রথম নামই রয়েছে জাতীয় তফসিলি জাতি ও উপজাতি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদারের। এছাড়াও, উল্লখযোগ্যদের মধ্যে আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। যিনি বর্তমানে দলের বিক্ষুব্ধ হিসেবে পরিচিত। নিরাপত্তা প্রত্যাহার হয়েছে স্বপন দাশগুপ্ত ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পন্ডার।
যদিও সংগঠনে শঙ্কুদেবের কোনও গুরুত্বই ছিল না। উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তা প্রত্যাহারের তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা দলের রাজ্য নেতা অভিজিৎ দাস (ববি), নদিয়া জেলার বর্তমান সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস। এছাড়াও সেই তালিকায় আছে আরও অনেক ছোট মাপের নেতাদের উপর থেকে।

