বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দ বাদ দিতে উঠেপরে লেগেছেন ইউনুস
মানুষের ‘মুখ’ ও ‘মুখোশ’ যখন আলাদা হয়, তখন সেটা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। শান্তিতে নোবেল পাওয়া ইউনুস যখন তাঁর দেশের সংবিধান থেকে ‘ধর্ম নিরপেক্ষতা’ শব্দকে বাদ দিতে চাইছেন, তখন বোঝাই যায় হাসিনার পরবর্তীকালে কেন বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্মম অত্যাচার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানে মূল চারটি নীতি রয়েছে, এগুলি হল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের মূল নীতি হিসাবে এই শব্দবন্ধনীগুলি যোগ করা হয়েছিল। সংস্কার কমিশন যে সুপারিশ করেছে, তাতে এই শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে। মূল নীতি থেকে ধর্মনিরপেক্ষতার পাশাপাশি সমাজতন্ত্র, জাতীয়বাদ এবং এর সম্পর্কিত সংবিধানের ৮, ৯, ১০ এবং ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংবিধান সংস্কার কমিশন। বিষয়টা এবার পরিষ্কার হচ্ছে যে এর পরের পদক্ষেপ হলো বাংলাদেশকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা।
সূত্রের খবর, সংবিধান সংস্কার কমিটির কাছে ইউনুসের সুপারিশ জমা পড়েছে। সেই সুপারিশেই ধর্মনিরপেক্ষতা সহ তিনটি মূল নীতি বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। হাসিনাকে তাড়িয়ে দেশের সংস্কার করতে গদিতে বসেছিল মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সেখানে ধর্মীয় মেরুকরণ, সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার চলছে লাগাতার। এবার সেই বাংলাদেশই সংবিধান সংস্কারে নামছে। আর তাতেই সংবিধানের মূল নীতি থেকে বাদ পড়তে পারে ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দ।

