বাংলাদেশে চিন্ময় মহারাজের জামিন মামলা আবার পিছিয়ে গেলো
হাসিনা সরকারের পতন ও ইউনুস সরকারের আগমন থেকেই বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। আগের ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ আর নেই, এখন বাংলাদেশকে মুসলিম কান্ট্রি তৈরী করার সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। আর তারই পরিণামে ইস্কনের মহারাজ চিন্ময় মহারাজ দুমাস ধরে জেলবন্দি। বার বার তাঁর জামিনের শুনানি পিছিয়ে অবশেষে ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য হয়েছিল। কিন্তু তাও পিছিয়ে গেলো। এর পিছনে ধৰ্মীয় মৌলবাদীদের হাত আছে বলেই অনেকে মনে করেন। যদিও জানানো হয়েছে, সিরিয়াল নম্বর পিছনে থাকায় আজ শুনানি করা যায় নি।
প্রশ্ন হচ্ছে, বিনা বিচারে একজন সন্ন্যাসীনে ২ মাস ধরে আটকে রাখা কোন সভ্য সমাজের রীতি। গত বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়কৃষ্ণকে। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ। চট্টগ্রামের একটি নিম্ন আদালত গত ২ জানুয়ারি চিন্ময়কৃষ্ণের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়।
সংবাদসংস্থা এএনআই-কে চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা ১২ জানুয়ারি ঢাকা হাইকোর্টে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিনের আবেদন জানাই।” তিনি আরও বলেন, “যেকোনও জমায়েত কিংবা সভায় বক্তব্যের শুরুতে চিন্ময়কৃষ্ণ দাস প্রথমেই বলতেন, মা ও মাতৃভূমি স্বর্গের চেয়ে ভাল।”অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য জানান, যে পতাকা অবমাননার অভিযোগ উঠেছে, তা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নয়। এমনকি, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আদালতের অনুমতি ছাড়া দেওয়া যায় না। আদালতের অনুমতি নেওয়া হয়নি। কিন্তু আবার সেই হিন্দি ছবির ‘তারিখ পে তারিখ’ এখানেও সত্য হতে চলেছে।

