বিজেপির শক্তি প্রমুখের বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে, বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।
মাধব দেবনাথ, নদীয়া:- পঞ্চায়েত নির্বাচন যতই দৌড় গোড়ায় আসছে ততই উত্তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক ফোটাও জায়গা ছাড়তে নারাজ শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অশান্তিতে ভরপুর হয়ে উঠেছিল গোটা রাজ্য। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন আসার আগেই গভীর রাতে বিজেপির শক্তি প্রমুখের বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার তৃণমূলের। নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের বেলঘড়িয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গবার চরের বিজেপির শক্তি প্রমুখ সমীর বিশ্বাসের অভিযোগ, গতকাল সন্ধ্যায় ভাগীরথী নদীর তীরে তার পরিবারের এক সদস্য সাথে অশান্তি হয় তৃণমূলের বেশ কিছু যুবকদের সাথে, পরবর্তীতে রাত দুটো নাগাদ আচমকায় তার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। বিজেপির শক্তি প্রমুখ সমীর বিশ্বাস বাইরে বেরিয়ে এসে দেখে তার ঘরের টিনের চালার উপরে একটি ফাটা বোম পড়ে রয়েছে, আরও একটি বোম নিচের অংশে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। যদিও গতকাল রাতেই ঘটনাস্থলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ, এরপর বোমা গুলিকে উদ্ধার করে। বিজেপির শক্তি প্রমুখ সমীর বিশ্বাসের সরাসরি অভিযোগ, এই ঘটনার সাথে ওই অঞ্চলের তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতিরায় জড়িত রয়েছে। যদিও সকাল থেকেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শান্তিপুরের বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা বিজেপির শক্তি প্রমুখ সমীর বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন। তবে বোমাবাজির ঘটনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন ওই অঞ্চলের ২৩৭ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি রঘুনাথ মিত্র। তিনি বলেন, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন এই অঞ্চলে তৃণমূলের যথেষ্টই প্রভাব রয়েছে, বিজেপির কোনো রকম প্রভাব নেই বলে নিজেরা চক্রান্ত করেই বোমাবাজি করে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূল এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না। আমরা সকলেই এই অঞ্চলে মিলেমিশে বসবাস করি। তবে বিজেপির শক্তি প্রমুখের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। যদিও বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

