নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা :— বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পরিবারের পাশে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
পুরুলিয়ার চাকিয়া কোস্তশিলা গ্রামের বাসিন্দা প্রসন্ন কুমার (বয়স ৩৯), পিতা শ্রী শ্রীরাম কুমার। দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গালুরুর সাম্পিগেহাল্লি থানা এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদার সুসেন কুমার তিওয়ারির অধীনে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর রাতে শেষবার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয় প্রসন্নর। পরের দিন সকাল থেকে তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ স্থাপন করা যাচ্ছিল না। উদ্বিগ্ন পরিবার বারবার ফোন করেও কোনও সাড়া পাচ্ছিল না। অবশেষে বহুবার চেষ্টা করার পর অন্য এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে জানান—প্রসন্ন কুমার মারা গিয়েছেন।
হঠাৎ পাওয়া এই খবরে শোকে এবং হতবাক হয়ে পড়ে পরিবার। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কিংবা ঘটনার সময় কী হয়েছিল—তা সম্পর্কে কোনও তথ্য না পাওয়ায় পরিবারের হতাশা আরও বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেছেন। তাঁর উদ্যোগে মৃতদেহ দ্রুত বাড়িতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি—আইনি সহায়তা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও জানিয়েছেন।
স্থানীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং শোকাহত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
চাকিয়া গ্রামের শান্ত পরিবেশে এখন একটাই প্রশ্ন—কীভাবে এমন মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হলেন প্রসন্ন কুমার? পরিবারের কাছে সত্যি জানার অপেক্ষা আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

