ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাঘাযতীনের বহুতল
কিছু স্বার্থপর লোলুপ মানুষের জন্য মাথার ছাদ হারালো ৮টি পরিবার। এর দায় কে নেবে? গতকাল বাঘাযতীনের একটি বহুতল হেলে গেছে পাশের একটি একতলা বাড়ির দিকে। আর তার নিচের একতলার একটা বড়ো অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পরে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বছর ১০/১১ আগে ওই বহুতলের কাজ শুরু করেন সুভাষ রায় নামে বাঘাযতীনের বাসিন্দা এক প্রোমোটার৷ ২০১৪ সাল থেকে ক্রেতাদের ফ্ল্যাট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়৷ কেউ নগদে, কেউ আবার ঋণ নিয়েও ফ্ল্যাট কিনেছিলেন৷ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মাথার উপরের ছাদ হারিয়ে কার্যত দিশেহারা ওই বহুতলের বাসিন্দা আটটি পরিবার৷ জানা যাচ্ছে বে আইনিভাবে একটি জলাভূমি বুজিয়ে তৈরী হয়েছে ওই বহুতল।
মঙ্গলবার রাতেই পৌরসভার ইঞ্জিনিয়াররা এসে সিদ্ধান্ত নেন ভেঙে ফেলা হবে ওই বাড়িটি। ইতিমধ্যে ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু দিন ধরেই ওই বহুতলটি হেলে পড়তে শুরু করেছিল৷ আবাসিকরা প্রোমোটারকে বিষয়টি জানালে জ্যাক লাগিয়ে বাড়ি ভিত থেকে উঁচু করে সোজা করার জন্য হরিয়ানার একটি সংস্থাকে বরাত দেন সুভাষবাবু৷ কাজ চলছিল বলে বহুতলটি খালি করে আবাসিকদের ভাড়া বাড়িতে থাকার ব্যবস্থাও করা হয়৷ মঙ্গলবার মেরামতির সেই কাজ চলাকালীনই আচমকা বাড়ির একতলা দেওয়াল ভাঙতে শুরু করে৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপজ্জনকভাবে একপাশে হেলে পড়ে গোটা বহুতলটি৷ সেই সময় বহুতলে কেউ না থাকায় কেউ হতাহত হননি৷ এখন ৮টি পরিবারের চোখে শুধুই জল।

