Monday, February 16, 2026
- Advertisement -

মালচিং চাষের পদ্ধতিতে দেবাশীষের অভূতপূর্ব ফলন: একটি অনুপ্রেরণামূলক ঘটনা, রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের সহায়তায়

- Advertisement -

গ্রামীণ এলাকার অধিকাংশ কৃষক চাষাবাদের জন্য নতুন সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং সরকার সম্পর্কে যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। স্কিম বা পরিষেবা, তাই, আমরা এই পরিষেবাগুলির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। RFIS তার DFS এবং অন্যান্য তথ্য পরিষেবার মাধ্যমে এবং এর মাধ্যমে ব্যবধান পূরণ করেছে। আমি বিশ্বাস করি, আমার মতো অন্য কৃষকরা কম খরচে প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষের খরচ কমিয়ে আয় বাড়াতে পারে। প্রতিটি কৃষককে নতুন চাষ পদ্ধতি এবং কৌশল শিখতে হবে।

দেবাশিস আরুক (৪৮), বাঁকুড়া জেলার ইন্দপুর ব্লকের বাঁশকেটিয়া গ্রামের অভিজ্ঞ এবং রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের সহায়তাপ্রাপ্ত কৃষক। মাধ্যমিক পাশ করার পর পারিবারিক কৃষিকার্যেই যুক্ত হয় পড়েন দেবাশীষ। ৫-সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের মূল জীবিকা কৃষিকাজ। মোট কৃষি জমির পরিমান ৬-বিঘা। মূল ফসল এক ফসলি ধান (আমন), তরমুজ এবং শশা। সবজির মধ্যে মূল হলো বর্ষা কালীন বেগুন

দেবাশীষ রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের ডিজিটাল ফার্ম স্কুল (ডি এফ এস) এর একজন সক্রিয় উপভোক্তা। এই ডি এফ এস যাত্রা শুরু করে অক্টোবর ২০২২ সাল থেকে। বর্তমানে ইন্দপুর ও তালডাংরা ব্লকের মোট ১৫০ জন কৃষক এই স্কুল এর সদস্য। প্রতি বছর দেবাশীষ বর্ষা কালীন বেগুন চাষ করেন। কিন্তু সঠিক পালন পদ্ধতি এবং কীটনাশক ওষুধের প্রয়োগ না জানার ফলে বেশি বৃষ্টি হলেই গাছ গুলো পচে যেত আর জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা জন্মাতো। কিন্তু এ বছর রিলায়েন্স ফাউন্ডেনের এর নিঃশুল্ক সহায়তা নম্বর ১৮০০ ৪১৯ ৮৮০০ থেকে কৃষি বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনা করেন এবং বিশেষজ্ঞ দেবাশীষ বাবুকে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করার সুপারিশ করেন। এই অঞ্চলে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ এর প্রচলন না থাকার জন্য দেবাশীষ এই ব্যাপারে একেবারেই অনভিজ্ঞ ছিলেন।

এমতাবস্থায় রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি সুজয় পাঠকের মাধ্যমে বাঁকুড়া উদ্যান পালন বিভাগ-এ যোগাযোগ করে মালচিং পেপার সংগ্রহ করেন এবং বিশেষজ্ঞের সুপারিশমতো ৮-কাঠা জমিতে বেগুন চাষ করেন। চাষের শুরুতে তিনি নাইট্রোজেন , ফসফেট ও পটাশ দিয়ে গাছ লাগান। কিন্তু চাপান দেবার সময় প্লাস্টিক থাকায় সার প্রয়োগ করা যাচ্ছিল না। সেই সময় হেল্পলাইন এর মাধ্যমে কৃষি বিশেষজ্ঞ তরল ন্যানো সার প্রয়োগ করার সুপারিশ করেন। ফলস্বরূপ দেবাশিস বাবুর বেগুন জমির খরচা অনেক অংশেই কমে যায় । বিগত বছর গুলো তে ওই ৮-কাঠা চাষের খরচ হতো ১৫-হাজার টাকার মতো কিন্তু এই বছর টা কমে হয়েছে ১2-হাজার টাকা। আর ফলন হয়েছে ১৫ -কুইন্টাল। ফসল বিক্রি করে দাম পেয়েছেন প্রতি কেজি 2০/- টাকা। নীট লাভ প্রায় ১৮, ০০০/- টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments