টিভি ২০বাংলা ডেস্ক :- হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন,আপনারা নিজ বাসভবনে ঠিক কতটা নিরাপদ সেটাই খতিয়ে দেখার বিষয়। আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত শত শত অচেনা মানুষ চলাফেরা করে, তাদের মধ্যে জঙ্গি শনাক্ত করা সম্ভব কি?
তবে চিন্তার ভাগ কিছুটা কমিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেওয়া যেতেই পারে এস টি এফ অর্থাৎ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের উপর আস্থা রেখে। উওর ২৪ পরগনার শাসন থেকে দুই জঙ্গিকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু এবার নাম উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনারও। এসটি এফ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে ডাইমন্ড হারবারের দেউলপোতা থেকে সামির হোসেন শেখ নামে এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে পাকড়াও করা হয়। একি সাথে ডায়মন্ড হারবারের আরো একজন সাদ্দাম হোসেন খানকে শুক্রবার মহারাষ্ট্রের সন্ত্রাসদমন শাখার সাহায্যে মুম্বাই থেকে গ্ৰেফতার করে এসটি এফের অফিসারেরা।
এসটি এফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দুই ব্যক্তি আল কায়দার উপমহাদেশীয় শাখার সদস্য। সম্প্রতি উওর ২৪ পরগনার শাসন থেকে আব্দুর রকিব সরকার ওরফে হাবিবুল্লা এবং কাজি আহসান উল্লাহ নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের জেরা করেই সামির এবং সাদ্দামের খোঁজ পাওয়া যায়।
দুই পরগনায় আর কোথায় কোথায় আল কায়দার জাল বিস্তার হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসটি এফ জানিয়েছে, কয়েক বছর ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জঙ্গি ভাবধারা প্রচার করত হাবিবুল্লাহ। শাসন থেকে হাবিবুল্লাহ গ্ৰেপ্তার হতেই সাদ্দাম মুম্বাইয়ে পালিয়ে ওখানে দর্জির কাজ শুরু করে। সেখান থেকেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, হাবিবুল্লাহ ছিল জঙ্গি সংগঠনের তানজিম। অর্থাৎ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলতেন তিনি। সামির এবং সাদ্দামের তানজিমের হুকুম তামিল করাই দায়িত্ব ছিল। বাংলাদেশ থেকে আসা জঙ্গিদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করাই ছিল তাদের কাজ। এছাড়াও চলত সোশ্যাল মিডিয়ায় তরূনদের মগজধোলাই এর কাজ।

