জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ রাজ্য সরকারের ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ প্রদান বাঁকুড়ার দুই সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল জেলা নেতৃত্বর
নিজস্ব সংবাদদাতা বাঁকুড়া:-জেলাভিত্তিক জনসংযোগের মাধ্যমে ‘বাংলার সমর্থনে সংযোগ’ কর্মসূচিকে আরও বড় মাপে নিয়ে গেল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস “বাংলার সমর্থনে সংযোগ” উদ্যোগটিকে রাজ্য স্তর থেকে বাংলার প্রতিটি জেলায় প্রসারিত করেছে। সরকারের ১৫ বছরের শাসনের সাফল্যের খতিয়ান “উন্নয়নের পাঁচালি” রিপোর্ট কার্ডটি এখন সরাসরি জেলার স্থানীয় সেলিব্রিটি, প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং বিশিষ্ট গুণীজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেমন জেলার বিশিষ্ট ফুটবলার অজয় মুদিকে উন্নয়নের পাঁচালি দিলেন তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি তারাশংকর রায়,বিশিষ্ট সমাজসেবী শিক্ষক ও দাদাগিরি সিজিন ৯এর চ্যাম্পিয়ন মইনুদ্দিন চিস্তিকে প্রদান করলেন বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান অলকা সেন মজুমদার,সিমলাপাল ব্লকের বিশিষ্ট ব্যক্তি তপন গাঙ্গুলীকে প্রদান করলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনসূয়া রায়,অযোধ্যা হাই স্কুলের শিক্ষক বিশিষ্ট সমাজসেবী সোমেষ মুখার্জিকে ও জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়-কে প্রদান করলেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবনাথ বাউরি।
জেলা-ভিত্তিক এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময় হওয়া উন্নয়নের প্রধান মাইল ফলক গুলোকে তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সরাসরি নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলা।
জেলা স্তরের এই জনসংযোগের অংশ হিসাবে জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সাক্ষাৎ করেন। তাঁর হাতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের ১৫ বছরের রিপোর্ট কার্ড, পাঁচালি এবং একটি সম্মাননা স্মারক সম্বলিত “উন্নয়নের পাঁচালি” বক্সটি তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জেলার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের রূপরেখা নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়।
“বাংলার সমর্থনে সংযোগ” কর্মসূচির এই জেলা-ভিত্তিক প্রসারের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস এই স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে- ব্যক্তিগত যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিক আখ্যানকে প্রতিটি জেলায় পৌঁছে দিয়ে রাজনৈতিক বার্তাকে আরও সুদৃঢ় করতে চায়।

