তারকেশ্বর থেকে সন্দীপ হালদার:- শ্রাবনী মেলা উপলক্ষে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে, দফায় দফায় বৈঠক তারকেশ্বর ব্লক ও জেলা প্রশাসনের। একদিকে তীর্থ যাত্রীদের নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী।
এদিন তারকেশ্বর মন্দির সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করতে আসেন জেলা শাসক মুক্তা আর্য,হুগলি গ্রামীন পুলিশের পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন,এবং রাজ্যের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও স্নেহাশীষ চক্রবর্তী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তারকেশ্বর ব্লক আধিকাকারিক সীমা চন্দ্র ও তারকেশ্বর বিধায়ক রামেন্দু সিংরায় সহ একাধিক জেলা ও তারকেশ্বর ব্লক প্রশাসনের কর্ম কর্তারা।
শ্রাবণ মাস শুরু হয়ে গেলেও এবছর ২১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে শ্রাবনী মেলা এবং শেষ হবে আগামী ১৯ শে আগস্ট। অর্থাৎ গুরু পূর্ণিমার দিন থেকে শুরু হয় শ্রাবনী মেলা এবং শেষ হবে রাখি পূর্ণিমায়।
তারকেশ্বরে শ্রাবনী মেলা উপলক্ষে জেলা ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে মন্দিরে আগত ভক্তদের জন্য। ২৪ ঘন্টা পানীয় জল ও আলোর ব্যবস্থ্যার পাশাপাশি মোতায়েন করা হবে প্রচুর পুলিশ এছাড়াও থাকবে অগ্নিনির্বাপন দপ্তরের কর্মী থেকে বিপর্যয় মোকাবিলার দল।
শ্রাবনী মেলা উপলক্ষে বৈদ্যবটির নিমাইতির্থ গঙ্গা ঘাট থেকে জল নিয়ে বাঁকে করে তারকেশ্বর মন্দিরে আসেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত।ভক্তদের সুবিধার্থে বৈদ্যবটি তারকেশ্বর রোড কে পরিষ্কার পরিচ্ছনর করার পাশপাশি লাগলো হয়েছে লাইট থাকবে স্বাস্থ্য শিবির এবং পুলিশি নজরদারি থাকবে কড়া।ইতি মধ্যেই নিরাপত্তা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তারকেশ্বর শহর কে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। এদিন তারকেশ্বর মন্দির সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করার পর হরিপালের বিশ্বনাথ সেবা সমিতি হলে বিশেষ বৈঠকের পর বৈদ্যবটি নিমাইতির্থ ঘাট সহ বাকি ঘাট গুলি পরিদর্শন করবেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।
মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন যাত্রী দের সুবিধার্থে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী বলেন মেলার জন্য রেলের কাছে ট্রেন সংখ্যা বাড়ানোর আবেদনের পাশাপাশি কলকাতা, ধর্মতলা ও হাওড়া থেকে তারকেশ্বর মন্দিরে আসার জন্য পর্যাপ্ত বাসের ব্যবস্থা করা হবে।

