সরকারি হাসপাতালের ICU তে এক নাবালিকার শ্লীলতাহানি
একেই বলে রাজ্য এগিয়ে চলেছে! লক্ষ্মীর ভান্ডার বা কন্যাশ্রী চলেছে ঠিকই, কিন্তু পিছিয়ে পড়ছে নারী সুরক্ষা। একে কি ‘প্রগতি’ বলা চলে – তা নিয়ে বিতর্ক করুন সমাজতত্ত্ববিদেরা। কিন্তু সাধারণ মানুষ সন্ত্রস্ত। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক ডায়মন্ড হারবারে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কিশোরীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল সাফাইকর্মীদের বিরুদ্ধে।
এই অভিযোগে হাসপাতালের এক সাফাইকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় সরকারি হাসপাতালে নারী রোগীদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে বাংলার নারী সুরক্ষা নিয়ে। জানা গিয়েছে, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী শনিবার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়। তাঁকে ফিমেল ওয়ার্ডের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। অভিযোগ ওই রাতেই প্রথমবার শ্লীলতাহানির শিকার হয় কিশোরী। তার শ্লীলতাহানি করে এক সাফাই কর্মী।
এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, এর পর আরও এক সাফাই কর্মী কিশোরীর শ্লীলতাহানি করে। দফায় দফায় হাসপাতালের আইসিইউর মধ্যে নির্যাতনের শিকার হয় সে। অবশেষে মা-কে গোটা ঘটনা খুলে বলে কিশোরী। এর পর কিশোরীর মা কার্যত জোর করে মেয়েকে হাসপাতাল থেকে ছুটি করিয়ে বাড়ি নিয়ে চলে যান। মঙ্গলবার ডায়মন্ড হারবার থানায় ২ সাফাই কর্মীর বিরুদ্ধে মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে ১ সাফাই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যজন পলাতক। সরকারি হাসপাতালে বার বার এমন ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠেছে, বাংলার সংস্কৃতি, সভ্যতা কি একেবারে শেষ!!

