Saturday, February 7, 2026
- Advertisement -

সর্ব ধর্মগুরুদের উপস্থিতিতে বঙ্গীয় সংখ্যালঘু পরিষদের বারুইপুরে বিশেষ সভা

- Advertisement -

 

বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা :- হিন্দু, মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান শিখ সহ সকল ধর্মের ধর্ম গুরুদের উপস্থিতিতে এদিন, বঞ্চিত অত্যাচারিত ও অনগ্রসর মানুষের জন্য আমৃত্য লড়াইয়ের শপথ গ্রহণের আহ্বানে বঙ্গীয় সংখ্যালঘু পরিষদের উদ্যোগে বারুইপুর অনিমা ভবনে এক বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়।

এছাড়াও বারুপুর ব্লক কমিটি গঠন,বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি ও তাদের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গীয় সংখ্যালঘু পরিষদের সভাপতি মাওলানা মোজাফ্ফর হোসেন,কার্যকরী সভাপতি আব্দুর রউফ লস্কর,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড: জাহান আলী পূরকাইত, সহসম্পাদক পাস্টর শ্যামল ঘোড়ুই,প্রাক্তন ডি আই নজরুল হোক সিপাই,সহসভাপতি অধ্যাপিকা সালেহা বেগম ও এ কে এম গোলাম মোর্তোজা,কোষাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম,প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাওলানা আনোয়ার হোসেন কাসেমী,এডভোকেট হাফিজুর রহমান, জিন্না আলী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী শবনম খাতুন, আম্বেদকরবাদী সান্তনু মন্ডল,রেভারেন্ড সঞ্জীব,মারিয়া ঘড়ুই,রেজাউল ইসলাম সহ বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদ,অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

এই সভার শেষে বারুইপুর ব্লক বঙ্গীয় সংখ্যালঘু পরিষদের কমিটি গঠন করার পাশাপাশি আগামীতে তারা কর্মসূচী প্রাসঙ্গিক সামাজিক- সাংস্কৃতিক বিভিন্ন কর্মসূচী ব্যাতিরেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলিতে সংগঠন প্রয়োজনীয় কর্মসূচী গ্রহন করতে ইচ্ছুক সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সংখ্যালঘু,আদিবাসী, দলিত ও আর্থিক দূর্বল শেনীর শিক্ষা ও কর্মসংস্থান, সংখ্যালঘু শিক্ষা- সংস্কৃতির সুরক্ষা ও বিকাশ,দেশের সংবিধান, সংহতি ও সংস্কৃতি সুরক্ষা,নারী সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন সহ বিভিন্ন কল্যাণ ও সচেতনতা মূলক কর্মসূচি,গ্রহন করার লক্ষ্যে আগামীতে কাজ করতে চায় বঙ্গীয় সংখ্যালঘু পরিষদ।

অবশেষে, সকলকে এগিয়ে এসে সমাজের স্বার্থে কাজ করার বিনীত অনুরোধ জানায় সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ড: জাহান আলী পুরকাইত সহ উপস্তিত সকল জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিত্বরা। সংগঠনের পক্ষে এও জানান, শুধু ধর্মের নিরীখে সংখ্যালঘু শব্দটি নয়, বরং জাতি,বর্ণ,লিঙ্গ, শ্রেণী,গোষ্ঠী, ভাষা,ভাবাদর্শ, কর্মসংস্থান, স্বচ্ছলতা, ক্ষমতায়ণ, সংস্কৃতি, পরিস্থিতি, গুণমান, পরিমাণ প্রভৃতি জীবন যাপনের সার্বিক মানদণ্ডে মানুষের ‘সংখ্যালঘুদ্ধ’ বিবেচিত ও গৃহীত হয়েছে।

এভাবে ধর্মের মাপকাঠির গন্ডি অতিক্রম করে বঙ্গীয় সংখ্যালঘু পরিষদ ‘সংখ্যালঘু’ শব্দ ব্যবহারে ও বাস্তবায়নে যেমন উদারতা ও সাহসিকতা দেখিয়েছে, তেমন সার্বিক স্বার্থে বাস্তবতা ব্যাপকতা প্রদান করেছে সমাজের মধ্যে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments