কার্তিক মহারাজকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে বিতর্কে বিধায়ক হুমায়ুন কবীর
মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রায় ৭৫ শতাংশ ইসলাম ধর্মের মানুষ – জেলা ভিত্তিক বিচারে যা ভারতে সর্ব্বোচ্চ। সেখানে মাঝে মাঝেই ইসলাম ধর্মের মানুষেরা নানা ধরনের ধৰ্মীয় অনুষ্ঠান করেন। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে ‘অল বেঙ্গল ইমাম মোয়াজ্জিন অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্টে’র অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সেখানেই তিনি বলেন, ‘কার্তিক মহারাজকে চেনেন তো? আমার ভয়ে একটা সময়ে চুপচাপ ছিলেন। এই যে মাঝেমধ্যে বেলডাঙায় যে লোকটার জন্য অশান্তি হয়। সে তো একটা আতঙ্কবাদী নিজে। সব সময়ে একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, হাঙ্গামা লাগানোর চেষ্টা করেন।’এই কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয়েছে চূড়ান্ত বিতর্ক। সেই প্রসঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনকে টেনে এনে তিনি আরও বলেন, সমাজের সর্বত্র আতঙ্কবাদী থাকলে রামকৃষ্ণ মিশনেও দুয়েকজন আতঙ্কবাদী থাকতে পারে।
লক্ষ করার বিষয়, তিনি ভারত সেবাশ্রম সংঘ বা রামকৃষ্ণ মিশনের কথা বললেও কিন্তু কোনো মসজিদ বা মুসলিম সংগঠনের কথা বলেন নি। স্বাভাবিক কারণেই এই বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন,’এখানে আইপিএস রাজেশ কুমার ছিলেন, জ্ঞানবন্ত সিং ছিলেন, আরও অনেকে ছিলেন। তাঁদের কাছে আমার সম্পর্কে সব তথ্যই রয়েছে। আমি ৫০ বছর ধরে এখানে আছি। আর উনি এখন আমাকে সন্ত্রাসবাদী বলে দিলেন, তাহলে তো আমাকে যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতার করতে পারতেন। এই বক্তব্য নিয়ে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’ প্রসঙ্গত এই কার্তিক মহারাজকে নিয়েই নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর কিছু মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরী হয়েছিল।

