জাপানী পুতুলের আত্মকথা
অর্চিতা মন্ডল, হুগলি :— খেলতে আমরা ভালোবাসি ছোটো থেকে। মেয়েদের ক্ষেত্রে পুতুল বেশি প্রযোজ্য। আমাদের ভারতের মতো বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকমের পুতুল পাওয়া যায়। আজ আমরা আপনাদের কাছে তুলে ধরবো কিছু জাপানী পুতুলের গল্পকথা। জাপানী সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হল তাঁদের ঐতিহ্যবাহী পুতুল, যা নিংয়ো নামে পরিচিত। এই পুতুলগুলি জাপানীদের কাছে সৌভাগ্য, সুরক্ষা ও ঐতিহ্য বহন করে।
পুতুলগুলির বিভিন্ন নামকরণ আছে।
ইচ্ছেপূরণের জন্য দারুমা পুতুল পরিচিত। এটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহীন গোলাকার এই পুতুল যা সৌভাগ্য ও ইচ্ছাপূরণের প্রতীক। এই পুতুল সাধারণত লাল রঙের হয় এবং লক্ষ্য অর্জনের পর এর চোখ আঁকা হয়।
কোকেশি পুতুল হাত-পা বিহীন, কাঠের তৈরি সরল পুতুল। যেগুলি উত্তর জাপানের কারুশিল্পের পরিচয় বহন করে।
হিনা ডল এই পুতুলগুলি ৩রা মার্চ জাপানের ‘হিনামাতসুরি’ বা নারীদিবসে সাজানো হয়। এগুলো সম্রাট, সম্রাজ্ঞী এবং রাজদরবারের মানুষদের প্রতিনিধিত্ব করে।
গোশো পুতুল নিটোল ও সাদা বর্ণের প্রতীক। যা প্রাচীনকালে রাজপ্রাসাদে উপহার হিসেবে দেওয়া হতো।
ইচিমাতসু নামক পুতুলগুলি শিশুদের মতো দেখতে। এই পুতুলগুলো ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে থাকে।
এই পুতুলগুলো জাপানের ইতিহাস ও শিল্পকলার নিদর্শন হিসেবে সমাদৃত।

