পুলিশ দিবস উপলক্ষে শান্তিপুর ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ, কচিকাচাদের মনোরঞ্জনের, আয়োজন অংকন প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতার
মাধব দেবনাথ, নদীয়া :- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আজ এই দিনটাকে পুলিশ দিবস হিসাবে পালিত করা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন থানা ও ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি এক অভিনব উদ্যোগ নদীয়ার রানাঘাট পুলিশ জেলার। রবিবার সকাল থেকেই রাস্তায় পথ চলতি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যারা যানবাহন চালক তাদেরকে গোলাপ ফুল দিয়ে সম্বোধন জানান রানাঘাট পুলিশ জেলার এসডিপিও শৈলজা দাস। এরপরে বেলা গড়াতে আরো এক অভিনব উদ্যোগ নিল রানাঘাট পুলিশ জেলার ট্রাফিক পুলিশ।

শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী সংলগ্ন কলা তীর্থে এক অংকন প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যদিও এই কর্মসূচি আয়োজন করে শান্তিপুর ট্রাফিক পুলিশ। দায়িত্বে ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দীপক শিকদার ও সুব্রত সরকার, উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর থানার সার্কেল ইনস্পেক্টর শ্রী গোবিন্দ বিশ্বাস। যদিও এই কুইজ প্রতিযোগিতা ও অংকন প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রায় ৯৮ জন কচিকাঁচা অংশগ্রহণ করে, শিক্ষক শিক্ষিকা ছিলেন ১০৪ জন। বিকেল তিনটা থেকে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান। এ প্রসঙ্গে পুলিশ আধিকারিকের তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া না দিলেও তারা মৌখিকভাবে জানিয়েছেন, ট্রাফিক পুলিশ এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকরা ২৪ ঘন্টা মানুষের সেবায় কাজ করেন, এবং তাদের দায়িত্ব রয়েছে সামাজিক বিষয়টাও ভেবে দেখার, তাই আজকের এই শুভদিনে সকলের শুভকামনা এবং মানুষের সাথে মেলবন্ধনের জন্যই এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন যেমন সমাজের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, ঠিক তেমনি সাধারণ মানুষেরও অনেক দায়িত্ব রয়েছে তাদের, তাই শুধু পুলিশ দিবস উপলক্ষে নয় সারা বছরই এই এই ধরনের আকর্ষণীয় বিশেষ অনুষ্ঠান করে থাকেন তারা। তবে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিশুদের মুখে ছিল একরাশ হাসি। সারা বছর বিভিন্ন সংগঠনের অনুষ্ঠানের তারা যোগদান করলেও রানাঘাট পুলিশ জেলার ট্রাফিক পুলিশের এই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পেরে খুশি তাদের অভিভাবক রাও। বিশেষ করে এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে একাংশ সাংবাদিককে পুলিশের তরফ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। কারণ পেশাগত হিসেবে যেমন দায়িত্ব রয়েছে পুলিশের, তেমনি দায়িত্ব রয়েছে সংবাদ মাধ্যমেরেও, তাই আজকের এই বিশেষ দিনে সকলের মেলবন্ধন আরো যাতে দৃঢ় হয় সেই প্রয়াস পুলিশের।

