Saturday, February 7, 2026
- Advertisement -

রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হোয়াটস্যাপ গ্ৰুপের তথ্যের মাধ্যমে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি বীরভূম জেলায়

- Advertisement -

গ্রামীণ অর্থনীতির মূল ভিত্তি আজও কৃষি, বিশেষ করে ধান চাষ। কিন্তু আধুনিক ব্যয় সাশ্রয়ী কৃষির খুঁটিনাটি এখনও কৃষকদের কাছে অধরা, ফলে শ্রম ও পুঁজি বিনিয়োগের তুলনায় কৃষিজ পণ্য, বিশেষ করে ধানের উৎপাদন অনেকটাই কম। এমনই এক ভুক্তভোগী কৃষক শেখ নাসির (৩০)। নিবাস বীরভূম জেলার বোলপুর শান্তিনিকেতন ব্লকের যাদবপুর গ্রাম। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ নাসির বিগত এক দশক ধরে কৃষির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। নাসিরের মোট চাষযোগ্য জমির পরিমান পাঁচ বিঘা। কিন্তু প্রায় প্রতি বছরই পোকার আক্রমণে বিস্তীর্ণ জমির ধান নষ্ট হতো।

এমতাবস্থায় ২০১৯ সালে গ্রামেরই একজন সহ কৃষক বন্ধুর মাধ্যমে নাসির রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০ ৪১৯ ৮৮০০ এবং বিভিন্ন জীবিকা বিকাশ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। পরবর্তীকালে হেল্পলাইন নম্বর ও অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য তথ্য আদানপ্রদান করতে থাকেন। বিগত খরিফ মরশুমে নাসির প্রতি বছরের পাঁচ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেন। কিন্তু অক্টোবর ২০২৪ সালে প্রায় দুই বিঘা জমিতে হঠাৎই শোষক পোকা গাছের পাতা নষ্ট করতে শুরু করে। এমতাবস্থায়, ২০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে হোয়াটস্যাপ গ্ৰুপে নষ্ট হওয়া পাতার ফটো পোস্ট করে কৃষি বিজ্ঞানীর পরামর্শ চান।

সমস্যার প্রকৃতি অনুসারে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন এর রিসোর্স পার্সন প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রয়োগপদ্ধতির সুপারিশ করেন। সেই মতো ওষুধের প্রয়োগ করে নাসির উপকৃত হন। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই তথ্য পরিষেবায় পোকা আক্রান্ত দুই বিঘা জমিতে ১৫ কুইন্টাল ধান উৎপাদন করেন, যে ধান পোকার আক্রমণে নষ্ট হয় যেত। স্থানীয় কিসানমান্ডিতে ২৩০০/- টাকা প্রতি কুইন্টাল দরে নাসির ধান বিক্রি করেন। উপকৃত নাসিরের কথায়, “” শুধু পোকার আক্রমণ থেকেই মুক্ত পাওয়া নয়, রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ ও কৃষি বিজ্ঞানীর সুপারিশমতো চাষ করার ফলে যেখানে প্রতি বছর পাঁচ বিঘা জমিতে ধানের উৎপাদন ছিল ৮০ কুইন্টাল, সেখানে এ বছর উৎপাদন বেড়ে হয়েছে ৪৫ কুইন্টাল । ধান চাষ এখন আমাদের কাছে অনেকটাই লাভজনক”” ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments