টাইমস নাওএর জনমত সমীক্ষায় বাংলায় অনেকটা এগিয়ে বিজেপি
নিউজ ডেস্ক ব্যুরো :- বাংলায় বিজেপির কোনো প্রভাব কখনো ছিল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বাংলায় বিজেপির প্রথম প্রবেশ। মমতার সহযোগিতায় দমদম ও কৃষ্ণনগর প্রথম পায় বিজেপি। তারপরে মমতা বিজেপির সঙ্গ ছাড়ার পড়ে বিজেপি আবার হারিয়ে যায় বাংলা থেকে। কিন্তু তারপর বিজেপি দ্রুত গতিতে এগিয়েছে বাংলায়। তারপরে দার্জিলিং ও আসানসলো আসে বিজেপির দেখলে। সেখান থেকে ২০১৯ সালে পুরোপুরি খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বিজেপি। রাজ্যের ১৮টি লোকসভা আসনে জয়ী হয়েছিল পদ্ম শিবির। আর গতবার তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা আসন সংখ্যা কমে হয়েছিল ২২। এবার সেই সংখ্যা আরও কমতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে টাইমস নাও ইটিজি জনমত সমীক্ষায়। 5২০১৯ সালে বাংলায় বামেদের সরিয়ে দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল বিজেপি। তবে এরপরেও ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে সেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে টেক্কা দিতে পারেনি গেরুয়া শিবির। বাম-কংগ্রেস শূন্যে দাঁড়িয়ে থাকলেও বিরোধী পরিসর ছড়িয়ে দিতে পারেনি বিজেপি। মাত্র ৭৭টি আসনে তারা জয়ী হয়েছিল। কিন্তু মাটি কামড়ে পড়েছিলেন বিজেপির নেতা কর্মীরা।
সদ্য প্রকাশিত টাইমস নাও ইটিজি জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে এবার তৃণমূলকে ছাপিয়ে যেতে পারে বিজেপি। শুধুমাত্র আসন সংখ্যার নিরিখে নয়, ভোট শতাংশের নিরিখেও তৃণমূলকে পিছনে ফেলতে পারে বিজেপি। এর আগে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২১ সালের ভোটে বিজেপির ভোট শতাংশ কমেছিল রাজ্যে। টাইমস নাও ইটিজি জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঝুলিতে এবারে যেতে পারে ৪২ শতাংশ ভোট। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে এবারে যেতে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ, ভোটের নিরিখে তৃণমূল পিছিয়ে পড়বে পদ্ম শিবিরের থেকে। এদিকে বাম-কংগ্রেসের সম্মিলিত ভোট হতে পারে ১১ শতাংশ। আর অন্যান্যরা মিলে ৭ শতাংশ ভোট পেতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে সমীক্ষায়। এদিকে টাইমস নাও ইটিজি জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঝুলিতে আসতে পারে ২০ থেকে ২৪টি আসন। আর তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ১৭ থেকে ২১টি আসন। আর বাম-কংগ্রেস জোট মিলে খাতা খুললেও খুলতে পারে এই রাজ্যে। তথাকথিত ইন্ডিয়া জোট পশ্চিমবঙ্গে সর্বোচ্চ ২টি আসন পেতে পারে।

