প্রতিনিধি, সুব্রত দে , ত্রিপুরা:- সিপাহী জেলা জেলাশাসক ও সমাহর্তার অফিস এবং সিপাহী জলা জেলা পুলিশ সুপার অফিসের নতুন বাড়ির শুভ উদ্বোধন হয় রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেব বর্মন এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এর হাত দিয়ে। সোমবার বেলা এক ঘটিকায় ফিতা কেটে এবং মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে জেলা পুলিশ সুপার অফিস এবং জেলাশাসক ওফিসের নতুন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন হয়।
বিশ্রামগঞ্জ চেচুড়ী মাই এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে সুদৃশ্য অফিস বাড়ি তৈরি হয়। 2012 সালে নতুন করে সিপাহী জলা জেলার জন্ম হয়েছিল। এতদিন পর্যন্ত অস্থায়ী বাড়িতে কাজ চলছিল। 2018 সাল থেকে শুরু হয়েছিল নতুন বিল্ডিং বাড়ির কাজ। 19কোটি66 লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে একই কমপ্লেক্স এর মধ্যে পুলিশ সুপার অফিস এবং জেলাশাসক অফিস। সিপাহী জলা জেলায় প্রায় 5 লক্ষ জনসাধারণ রয়েছে। জনগণকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে এই নতুন বিল্ডিং বাড়ি।
প্রথমেই স্বাগত ভাষণ দেন রাজ্য সরকারের রেভিনিউ সচিব অপূর্ব রায়। আলোচনা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক বলেন সরকারের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ হল সরকারি কর্মচারী গন। সরকারি কর্মচারীরা সবাই মিলে এই সুন্দর বাড়িতে বসে সরকারের নীতিগুলো বাস্তবায়ন করবে জনগণের জন্য। উন্নয়নের জোয়ার বইছে রাজ্যে। আগামী দিনে ত্রিপুরা উন্নয়নের দিক দিয়ে অন্যান্য রাজ্যকে টেক্কা দেবে। ত্রিপুরা গুটিগুটি পায়ে নয় দ্রুত গতিতে উন্নয়নের দিকে এগুচ্ছে। অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী ভিশনের অর্থ বুঝালেন। তিনি বলেন বিরোধীরা বলে সরকারের ভিশন কোথায়? অতি মাড়ির দিনগুলিতে গরিবদের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াই তো ভীষণ_
এক লক্ষ 69000 হাজার ঘর একসঙ্গে সেনসান দেওয়াই তো ভীশন_সৌভাগ্য যোজনা য় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়াই তো ভীশন_প্রতিটি ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াই তো ভীশন_যে সমস্ত গরিব মানুষ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘর পাবে তাদেরকে বিনা সুদে ব্যাংক থেকে 70 হাজার টাকা ব্যবস্থা করাটাই তো ভীশন_সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুৎ বিল বাড়ানো হয়নি এটাই তো ভীশন_৩১টি বিদ্যুৎ সাবস্টেশন ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে এটাই তো ভীশন_স্বাধীনতার পর এই প্রথম টাওয়ার তৈরি করে আমবাসা থেকে গন্ডাছড়া বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে এটাই তো সরকারের ভিশন_প্রান্তিক কৃষকদের জন্য আড়াই লক্ষ টাকার সোলার পাম্প সাবসিডি দিয়ে মাত্র আড়াই হাজার টাকায় দেওয়া হয় এটাই তো সরকারের ভিশন_।
উপমুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন এই সরকার বিয়োগ করতে জানেনা এই সরকার শুধু প্লাস করতে জানে। কিসান নিধি প্রকল্প প্লাস করেছে এফসিআই থেকে ধান ক্রয় করা প্লাস করেছে। এই সরকার প্লাসে বিশ্বাস করে। রাজ্য সরকার সচিবালয় এ শুধু নীতিমালা তৈরি করে। এই নীতিমালাগুলো জেলাশাসক অফিস থেকেই জনগণের জন্য বাস্তবায়িত হয়। তাই জেলাশাসক ওফিসের গুরুত্ব অপরিসীম। সুন্দর পরিবেশে কাজ করলে মানসিকতা ভালো থাকে। সিপাহী জলা জলা আগরতলা শহরের কাছাকাছি। সিপাহী জলা জেলাকে আগরতলা সঙ্গে তুলনা করা হবে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পূর্বে বাল্যবিবাহ রোধে শপথ বাক্য পাঠ করা হয়। উপমুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিপাহী জলা জেলাশাসক বিশ্বেশ্বরী বি বিধায়ক বীরেন্দ্র কিশোর দেববর্মা বিধায়ক সুভাষ দাস জেলা পুলিশ সুপার কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্ত্তী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিপাহী জলা জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্ত। অনুষ্ঠানে জনগণের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

