হোমের আগুন থেকে মিষ্টিমুখ—পয়লা বৈশাখে সংস্কৃতি ও জনসংযোগে তৃণমূলের শক্তিশালী বার্তা
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া:- বাঁকুড়ার মাটিতে পয়লা বৈশাখ এ বছর শুধু নববর্ষের সূচনা নয়, ছিল এক প্রাণবন্ত উদযাপন—যেখানে ঐতিহ্য মিশেছে জনসংযোগের শক্তির সঙ্গে।
সলতোরায় দিনটি শুরু হয় মিষ্টি আবহে। প্রার্থী উত্তম বাউরি পুজো-অর্চনার মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা করেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন। উৎসবের এই মুহূর্ত হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে সংযোগ, বিশ্বাস ও আশার এক প্রতীক।
অন্যদিকে, তালডাংরায় প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু হোমযজ্ঞের আয়োজন করেন। ধূপ-ধুনোর ধোঁয়ায় ভরে ওঠা পরিবেশে নতুন বছরের জন্য শুভকামনা ও আশীর্বাদ কামনা করা হয়।
ইন্দাসে দেখা যায় এক অন্য ছবি—সংস্কৃতি আর মানুষের মিলনমেলা। দিঘলগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে মহিলাদের ‘পাড়া বৈঠক’ পরিণত হয় এক উৎসবে। উলুধ্বনি আর শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত পরিবেশে মিষ্টিমুখ, হাসি আর ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। আদিবাসী নৃত্য ও ঢাকের তালে তালে ফুটে ওঠে বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, যেখানে উদযাপনের মধ্যেই ধরা পড়ে নারীশক্তির আত্মপ্রকাশ।
কাতুলপুরেও পয়লা বৈশাখ উদযাপিত হয় একসঙ্গে—সরল অথচ গভীর আবেগে ভরা এক মিলনোৎসব হিসেবে, যা মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করে।
বাঁকুড়ার বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব যেন একটাই বার্তা দিয়েছে—এ শুধু নববর্ষ নয়, এ মানুষের উৎসব, সংস্কৃতির উদযাপন, আর জনসংযোগের এক জীবন্ত প্রকাশ, যেখানে মিষ্টিমুখে মিলেছে সম্পর্কের নতুন সুর।

