এখন নৈরাজ্যের আরেক নাম বাংলাদেশ
হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ধীরে ধীরে নৈরাজ্য বেড়ে চলেছে বাংলাদেশে। ইউনুস সরকার এই মুহূর্তে পাকিস্তানপন্থী ধৰ্মীয় মৌলবাদীদের হাতের পুতুলের পরিনত হয়েছে। আর সেই কারণেই বেড়ে চলেছে অপরাধ।
লাগাতার চুরি, ছিনতাই চলছেই। মহিলারাও সুরক্ষিত নন। একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে বাংলাদেশ জুড়ে। রবিবার রাতে ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে, মাত্র ২ ঘণ্টাতেই ৮৩ টি ডাকাতি হল শুধুমাত্র ঢাকায়। কোথাও ছিনতাই, কোথাও গুলি চলেছে। কোথাও আবার চপার দিয়ে কোপানো হয়েছে। সবটাই ঘটেছে রাজধানী ঢাকায়। একটি দোকান থেকেই ৪০০ ভরি সোনা ও ১ লক্ষ টাকা নগদ লুঠ করেছে দুষ্কৃতীরা। শুধু চুরি-ডাকাতিতেই আটকে নেই। গত ৪৮ ঘণ্টায় ৭৩ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই নৈরাজ্য থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করার কেই নেই। ওই দেশের মানুষ বড়ো অসহায়।
এই সব ঘটনার জেরে রাতভর আন্দোলনে নামে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা । স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে রাতভর চলে সেই আন্দোলন । তড়িঘড়ি রাত ৩টেয় সাংবাদিক বৈঠক ডাকতে বাধ্য হন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে আজ থেকে পরিস্থিতি পাল্টাবে। কিন্তু কথাই সার। কাজে তার কোনো পরিনাম দেখা যাচ্ছে না। আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভাঙে পড়েছে বললে ভুল হবে না।

