Saturday, April 25, 2026
- Advertisement -

তিলোত্তমার বিচার হবেই, এটি মোদীর গ্যারান্টি; অভয়ার মায়ের হাত ধরে বাংলার মাটি থেকে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর 

- Advertisement -

তিলোত্তমার বিচার হবেই, এটি মোদীর গ্যারান্টি; অভয়ার মায়ের হাত ধরে বাংলার মাটি থেকে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর

অনন্যা ব্যানার্জী, কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাল আবহে পানিহাটির মাটি থেকে এক নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী থাকল গোটা দেশ। আরজি কর কাণ্ডে প্রাণ হারানো সেই চিকিৎসক মেয়ের মা ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে কেবল বিচারের আশ্বাস দিলেন তাই নয়, বরং তিলোত্তমার বিচারকে নিজের রাজনৈতিক ও নৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এলেন। সেই শোকাতুর মায়ের চোখে চোখ রেখে এবং তাঁর হাত ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া বার্তা বাংলার রাজনীতির আঙিনায় এক নতুন মোড় তৈরি করেছে, যেখানে ন্যায়বিচারের দাবি আর পরিবর্তনের ডাক মিলেমিশে এক হয়ে গেছে।

২৪এপ্রিল ২০২৬-এ উত্তর ২৪ পরগণার পানিহাটির জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা ও স্থানীয় বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথের মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিলোত্তমার মা আজ একা নন, সারা ভারত তাঁর পাশে আছে। ষড়যন্ত্রকারী যত প্রভাবশালীই হোক, মোদীর হাত থেকে নিস্তার পাবে না।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, এক জন মায়ের লড়াই এবং তাঁর মেয়ের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। বাংলার মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

তিনি স্পষ্ট জানান যে, ৪ মে-র পর বাংলায় সুশাসন ফিরবে এবং অপরাধীদের কঠিনতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

সম্মানের প্রতীক: মঞ্চে অভয়ার মাকে পাশে বসিয়ে মোদী বার্তা দেন যে, বিজেপি কেবল একটি দল নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ঢাল।

পানিহাটির এই মঞ্চ কেবল একটি নির্বাচনী জনসভা ছিল না, বরং তা হয়ে উঠেছিল ন্যায়বিচারের এক বলিষ্ঠ শপথ। ‘তিলোত্তমা’র মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাস যেমন শোকসন্তপ্ত পরিবারকে নতুন করে লড়াইয়ের অক্সিজেন জুগিয়েছে, তেমনই তা প্রশাসনের ব্যর্থতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে। মোদীর এই ‘গ্যারান্টি’ শেষ পর্যন্ত বাংলার আমজনতার মনে কতটা ভরসা জোগাতে পারে এবং এই আবেগ ভোটের বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে, তা সময়ই বলবে; তবে বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর এই হুঙ্কার যে আগামী দিনে বাংলার রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে এক নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে, তা বলাই বাহুল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments