কলকাতা পুলিশ কমিশনারের ইস্তফা নিয়েই তারা লালবাজার ছাড়বেন – দাবি জুনিয়র ডাক্তারদের
জুনিয়র ডাক্তারেরা তাঁদের আন্দোলকে আরো বেশি চূড়ান্ত জায়গায় নিয়ে যেতে চলেছেন। আজ তারা উত্তাল হয়ে উঠেছেন বিনীত গোয়েলের পদত্যাগ নিয়ে। ফিয়ার্স লেনে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করলেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার অশেষ বিশ্বাস। তিনি প্রস্তাব দেন যে জুনিয়র ডাক্তাররা যেন লালবাজারে এসে কথা বলেন। আর তিনি পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি হিসাবেই এসেছেন। যদিও সেই প্রস্তাবে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা রাজি হননি। তাঁদের বক্তব্য, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট পর্যন্ত তাঁদের এগিয়ে যেতে দিতে হবে। নাহলে পুলিশ কমিশনারকে এখানে আসতে হবে বলে দাবি করেন তাঁরা। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই খবর আসে ডাঃ সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারের খবর। এতে আন্দোলনকারীরা আরো বেশি উৎসাহিত হয়ে পারেন।
পুলিশ তাদের মিছিল নিয়ে যেতে পুলিশ আপত্তি জানালে ডাক্তার্স ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘আমরা দায়িত্ব নিয়ে বলছি, কোথাও কোনও অশান্তি হবে না। কোথাও বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হবে না। আমরা মানবশৃঙ্খল করে এগিয়ে যাব।’ সেইসঙ্গে কেউ-কেউ হুংকার দিয়েছেন, ‘ওঁনারা (পুলিশ আধিকারিক) ভুলে যাচ্ছেন যে ডাক্তাররা ৩৬ ঘণ্টা টানা ডিউটি করেন।’ আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়ে দেন যে আগের কথা মতো তাঁদের মিছিল এগিয়ে যেতে দিতে হবে। তারপর ২০ জনের প্রতিনিধিদল গিয়ে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করবেন। দাবি জানাবেন ইস্তফার। আন্দোলনকারী এক চিকিৎসক বলেন, ‘সারা রাত বসে থাকব আমরা। আমরা একটানা ৩৬-৪৮ ঘণ্টা ডিউটি করা ডাক্তার। আমাদের সময়ের ভয় দেখালে হবে না।’ তারা আরো জানান, বিনীত গোয়েলের পদত্যাগ নিয়েই তারা লালবাজার ছাড়বেন। এই অবস্থায় গভীর সংকটে রাজ্য সরকার, গভীর সংকটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

