স্বর্ণালী হালদার, কলকাতা: — দিল্লিতে প্রতিবাদে নেমে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন, পরে দ্বারকা থানা থেকে মুক্তি
দিল্লিতে ধর্না কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে আটক হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ দলের একাধিক নেতা-নেত্রী। পরে তাঁদের দ্বারকা থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে সরগরম হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতির ময়দান।
দিল্লিতে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে ধর্না ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের জমায়েত এবং প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের নেতাদের আটক করা হয় বলে খবর সামনে আসে।
তৃণমূল নেতৃত্বের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। দলের নেতাদের বক্তব্য, নিজেদের দাবি তুলে ধরতেই তাঁরা প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি এ ধরনের পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
আটকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ অন্য নেতাদের দ্বারকা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
দিল্লির এই ঘটনা রাজ্যের শাসকদল ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিতে পারে। তবে আটক করার নির্দিষ্ট কারণ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং কর্মসূচির পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের ভিত্তিতে পুরো বিষয়টি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

