সংখ্যালঘু নির্যাতনে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিলো বাংলাদেশ
বিষয়টা শুধুই উদ্বেগের নয়, যথেষ্ট ভয়ের বিষয়। যে বাংলাদেশ প্রথম থেকেই হিন্দু মুসলমানের সৌভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক ছিল, সেই বাংলাদেশ সম্প্রতি যা ঘটছে তা নিয়ে চিন্তিত বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠন। ভারত সরকার শুক্রবার সংসদে জানিয়েছে এই বছরে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে হিন্দু সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর সব মিলিয়ে ২২০০টি কেস নথিভুক্ত করা হয়েছে। রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশপ্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং লিখিতভাবে একথা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন ভারতের প্রত্যাশা হল সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নিক বাংলাদেশ। কিন্তু ইউনুস সরকার সেই বিষয়ে যথেষ্ট উদাসিন। সংখ্যালঘু ও মানবাধিকার সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তানে এই সংখ্যাটা ১১২টি। ২০২২ সালে বাংলাদেশে এই সংখ্য়াটা ছিল ৪৭ ও পাকিস্তানে ২৪১। তিনি বলেন, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে এই সংখ্য়াটা হয়ে গেল ৩০২ আর পাকিস্তানে ১০৩। পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে ভারত নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক মঞ্চে হাইলাইট করেছে। প্রশ্ন উঠেছে কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন থামানোর সদর্থক ভূমিকা নিচ্ছে না ইউনিস সরকার?
কূটনৈতিক মহলের ধারণা ইউনুস সরকার এখন পাকিস্তানের মৌলবাদীদের হাতের পুতুলে পরিনত হয়েছে। যদিও মন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের প্রত্যাশা হল বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। গত ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশ সচিব। সেখানেও তিনি এই বিষয়টির উপর জোর দিয়েছিলেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকায় থাকা ভারতের হাই কমিশন গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

