টিভি ২০ বাংলা ডেস্ক :- চুল পড়া, পাতলা হয়ে যাওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। এর জন্য দায়ী মূলত আধুনিক জীবনধারা, দূষণ এবং রাসয়নিকযুক্ত পণ্যের নিয়মিত ব্যবহার। হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন হলেও এমনটা হয়। তাছাড়া চুল পড়ার পিছনে বংশগত কারণও দায়ী হতে পারে।
চুল পড়া, পাতলা হয়ে যাওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। এর জন্য দায়ী মূলত আধুনিক জীবনধারা, দূষণ এবং রাসয়নিকযুক্ত পণ্যের নিয়মিত ব্যবহার। হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন হলেও এমনটা হয়। তাছাড়া চুল পড়ার পিছনে বংশগত কারণও দায়ী হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্ত কারণ তো আছেই। এর সঙ্গে চুলে যখন প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছনো বন্ধ হয়ে যায়, চুলের যত্নের ব্যাপারে খেয়াল থাকে না, তখন চুলের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। চুল প্রতি মাসে গড়ে ০.৫ ইঞ্চি এবং প্রতি বছরে গড়ে ৬ ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়।
প্রতিদিনের ডায়েটে তাই এমন খাবার রাখতে হবে যা চুলের বৃদ্ধির গতিকে বাড়াবে। এ জন্য পাতে রাখতে হবে বাদাম, ডিম, অ্যাসপারাগাসের মতো খাবার। এগুলো চুল পড়ার সমস্যা কমায় এবং চুলকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।
ওটস: সকালের জলখাবারে ওটস বা পোরিজের মতো খাবার চুলের বৃদ্ধির জন্য দুর্দান্ত। ওটস ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন এবং ফসফরাস সমৃদ্ধ। এটা মেলানিন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা চুলের রঙকে স্বাভাবিক রাখে। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন খেতে হবে।
ফ্ল্যাক্সসিড: পিএইচ লেভেল এবং তেল উৎপাদনের ভারসাম্য বজায় রাখা থেকে শুরু করে কন্ডিশনে রাখা পর্যন্ত, ফ্ল্যাক্সসিড চুলকে নানাভাবে পুষ্টি যোগায়। এটা ভিটামিন ই-র সমৃদ্ধ উৎস যা চুলের বৃদ্ধি এবং ঘনত্বের জন্য সেরা ভিটামিনগুলোর মধ্যে একটা।
শুকনো ফল এবং বাদাম: ড্রাই ফ্রুটস বায়োটিন, সালফার এবং আয়রনে সমৃদ্ধ। এগুলি এমন পুষ্টিকর খাবার যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ই এবং ইনোসিটল সমৃদ্ধ বাদাম মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং চুলের ফলিকলগুলিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
দুধ: দুধ শুধু শরীর নয় চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। আয়রন এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দুধ সুপারফুড, সকলের খাওয়া উচিত। শরীরের হাড় মজবুত করা, রক্তচাপ কমানো থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দুধ শুধুমাত্র শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রেই নয়, চুলের উজ্জ্বলতা ও বাড়ায়।

