কেরলে মানব হত্যা ৫৬ টুকরো দেহের, মানুষের মাংস খাওয়ার অভিযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা : তিরুবনন্তপুরম ১২ অক্টোবর : মৃত্যু হয়েছে রেসেলিন এবং পদ্মার। খুন করার আগে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। তারপর মারাত্মক অত্যাচার চলে। এই দুজনের খুনের ঘটনা সম্পর্কে কেরালা পুলিশ বুধবার এমনটাই জানিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, নলি কেটে খুন করার পর তাদের স্তনও কেটে ফেলা হয়। একটি দেহকে ৫৬ টি টুকরো করে কাটে অভিযুক্তরা। পুলিশ মনে করছে, কালা জাদুতে অভিযুক্তরা মানুষের মাংসও খেত। তিনটি নর্দমা থেকে এই টুকরোগুলো উদ্ধার হয়েছে।
অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কারের শিকার হয়ে প্রাণ যায় মাঝবয়সী এই দুই মহিলার। ভগবল সিং এবং লায়লা নিজেদের বড়লোক হওয়ার ইচ্ছা পূরণ করতেই ‘বলি’ দেয় রেসেলিং এবং পদ্মাকে। মহম্মদ শাফি নামে আরেক অভিযুক্ত এই দুই মহিলা কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ওই দম্পত্তির বাড়িতে। ৭৫ বছরের এক বৃদ্ধার সাথে যৌন হেনস্থায় ২০২০ সালে গ্রেফতার হয়েছিল মহম্মদ শাফি। সে পরবর্তীকালে জামিন পেয়ে ছাড়াও পায়। জানা যাচ্ছে, শাফিই নাকি দম্পতিদের আর্থিক দুর্দশা কাটাতে মানববলি দেওয়ার কথা বলে। তাহলেই তারা বড়লোক হয়ে উঠবে। মঙ্গলবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদের মধ্যে রয়েছে দুই দম্পতি ভগবল সিং ও লায়লা এবং মহম্মদ শাফি। এদিন তাদের আদালতে তোলা হলে পুলিশ ১০ দিন হেফাজতের দাবি জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

