Friday, April 24, 2026
- Advertisement -

আমাদের নার্সরাই আমাদের ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শ্লোগান

- Advertisement -

 

আমাদের নার্সরাই আমাদের ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শ্লোগান

নিউজ ওয়াল ব্যুরো :- ‘নার্স’ শব্দটার সঙ্গে জুড়ে আছে একজন মমতাময়ী মাতা, কন্যা, ভগিনী বা স্ত্রী। আমাদের অসুস্থ হয়ে হামেশাই ভর্তি হতে হয় বিভিন্ন হসপিটালে। তখন আমরা উপলব্ধি করতে পারি এই মমতাময়ী সম্প্রদায়কে। নার্সরা আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যাদের ছাড়া পুরো সিস্টেমটি ভেঙে পড়বে। আর কিছুদিন পরেই ১২ মে ঘটা করে পালিত হবে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস। পালন তো করবো। কিন্তু তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মমতার মূল্য কি আমরা সবাই দিতে পারি?

ইন্টারন্যাশাাল কাউন্সিল  অফ নার্সেস (ICN) বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ নার্সদের প্রতিনিধিত্ব করে। সেই কাউন্সিলের পক্ষ থেকে প্রতি নিয়ক নার্সিংদের বলা হয়, জননীর মতো আত্মত্যাগী ও মমতাময়ী হয়ে উঠতে হবে নার্সিংদের। ‘সেবা’ – একমাত্র শব্দ, যাকে আশ্রয় করে একজন মহিলাকে নার্স হয়ে উঠতে হয়। নার্সিং এমন একটি পেশা যা সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। এ পেশার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা সামাজিকভাবে কোন রোগী বা ব্যক্তির স্বাস্থ্য পুণরুদ্ধার এবং জীবনযাত্রার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ পেশার সাথে সম্পৃক্ত, দক্ষ কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি নার্স বা সেবিকা নামে পরিচিত। বিশ্বর কোনো কোনো দেশে অবশ্য পুরুষেরাও নার্সিং পেশায় এখনো আসছেন।

ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, আধুনিক নার্সিং পেশার উৎস প্রাচীন খিস্ট ধর্মের নন প্রথা থেকে। গির্জার নানেরাই তখন গ্রাম, গ্রামাঞ্চলে ঘুরে অসুস্থ মানুষদের সেবা করতেন। ধৰ্মীয় অনুষঙ্গের সঙ্গে যুক্ত আছে আরেকটি ইতিহাস। তা হলো যুদ্ধ ক্ষেত্রে আহত সৈনিকদের সেবা সুশ্রুসা করাও ছিল মধ্যযুগের এক শ্রেণীর মহিলার কাজ।

কিন্তু একটা সময় বাংলা তথা ভারতে এই পেশাকে খুব ভালো চোখে দেখা হতো না। যদিও সমাজের ভাবনার এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষেরা নার্সিং পেশাকে এখনো যথেষ্ট সম্মান করেন। চিরন্তন ট্রেডিশন অনুযায়ী নার্সরা সাদা পোশাক পরেন। তবে এখন বহু নার্সিং পেশায় যুক্ত মহিলারা অন্যান্য রঙের পোশাকও পারেন। তবে তা অবশ্যই এমন রঙের হয় যা একজন রুগীর মনে শ্রদ্ধা ও সম্ভ্রম তৈরী করে। নার্সদের নিয়ে যাঁরা গবেষণা করেন, তাঁরা বলেন,

১) নার্সিং পেশায় যাঁরা আসবেন তারা অর্থ রোজগার করবেন ঠিকই কিন্তু এই পেশাকে ভালোবাসতে হবে।

২) এই পেশার মহিলাদের সেবার মানসিকতা রাখতে হবে।

৩) সহনশীল হতে হবে।

৪) একজন রুগী তার কাছে শুধু রুগী নয়, তাঁর নিজের পরিবারের সদস্য ভাবতে হবে।

৫) রুগীর চিকিৎসা সহায়ক তো হবেন বটেই কিন্তু হয়ে উঠতে হবে রুগীর বন্ধু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments