পুজোয় কাল হয়ে দাঁড়াবে বৃষ্টিপাত? ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের ভোগান্তির আশঙ্কা!
TV20 বাংলা : এবছর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটা কম থাকলেও, ফের বর্ষণের মুখ দেখল কলকাতার একাংশ অঞ্চল। আজ ভাদ্র মাসের শেষ দিন। কয়েক দিন ধরে জোড়া নিম্নচাপের কারণে কিছুদিন ধরে বাংলার একাধিক জায়গায় স্বল্প ও মাঝারি পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার দুপুরে মহানগরের দক্ষিণে ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বেশ কিছু জায়গায় বর্ষণের দাপট বেশি দেখা গেছে। বাজ পড়েছে ঘন ঘন। আজও বর্ষণের সাক্ষী থাকলো বেশ কিছু এলাকা।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গণেশ কুমার দাস জানান, স্থানীয়ভাবে তৈরি বজ্রগর্ভ মেঘপুঞ্জ থেকেই এই বৃষ্টি। চিন্তা বাড়াচ্ছে বঙ্গোপসাগরের আঁতুড়ে বাড়তে থাকা নতুন একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটি নিম্নচাপে পরিণত হলেই আর এক দফা বৃষ্টি উৎসবের প্রস্তুতি পর্বে আঘাত হানতে পারে।
আজ শনিবার বিশ্বকর্মা পুজো। ভাদ্রের শেষ দিন। কাল রবিবার আশ্বিনের সূচনা। বাঙালির পঞ্জিকায় শরৎ এসে গেলেও বৃষ্টি আপাতত বঙ্গের পিছু ছাড়ছে না বলেই হাওয়া অফিসের খবর। পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বর্ষণ হয়েছে আজও। আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা জানান, বঙ্গোপসাগরে ফের একটি ঘূর্ণাবর্ত দানা বাঁধতে চলেছে রবিবারেই। দিন দুয়েক এর মধ্যে সে পরিণত হবে নিম্নচাপে। ফলে গাঙ্গেয় বঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।
বারবার নিম্নচাপের জেরে মৌসুমী অক্ষরেখাটি গাঙ্গেয় বঙ্গের উপরে রয়েছে। তাই আষাঢ়-শ্রাবণ মাসের মতো ভাদ্র মাসের শেষেও গাঙ্গেয় বঙ্গভূমিতে মেঘের দেখা মিলছে।
আবহাওয়া দপ্তরের খাতা অনুযায়ী এবারের পূজো পড়ছে বর্ষার একেবারে শেষের দিকে। তাই বৃষ্টি যে পুজোর কাল হয়ে দাঁড়াবে, তা এখনো সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। ফের নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে মহালয়া, প্রতিমা তৈরি ও মণ্ডপের সাজ সজ্জাকরনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আসন্ন নিম্নচাপ ওড়িশার দিকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে সেটি ওড়িশার দিকে গেলে যে মাত্রায় বর্ষণ হবে, সেই তুলনায় গাঙ্গেয় ভূমিতে নিম্নচাপ বিরাজমান হলে বর্ষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

