মুখ্যমন্ত্রী রবিবার রাতেই পৌঁছেছেন জলপাইগুড়ি
নিউজ ডেস্ক :- রবিবার বিকেলে কয়েক মিনিটেই লন্ডভন্ড হয়ে গেছে জলপাইগুড়ির একাংশ। অন্তত ৫ জনের মৃত্যু ও আড়াইশোজন যখন হয়েছে। এই খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী কাল বিলম্ব না করে রবিবার রাতেই চলে গেছেন জলপাইগুড়ি। আজ সকালে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যপাল ও অভিষেক ব্যানার্জী। সুকান্তনগর এলাকায় গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক পথচারীর। ঝড়ের দাপটে পাহাড়পুরে টোটো উল্টে মৃত্য়ু হয়েছে এক মহিলার।
ময়নাগুড়ি ও জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল মিলিয়ে দুই হাসপাতালে আড়াইশোর বেশি মানুষ। উত্তরবঙ্গে পৌঁছে মমতা বলেন, “আমি দেখলাম ভয়াবহ ঝড়টা এসেছিল। খুব ক্ষণিকের জন্য। ক্ষতি কোচবিহারেও হয়েছে, আলিপুরদুয়ারেও হয়েছে। কিন্তু জলপাইগুড়ির ক্ষতিটা হল ৫ জন মারা গিয়েছেন। একটি বাচ্চাকে নিয়ে আসা হচ্ছে রাতেই। আরেকজনকে উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে শিফট করা হচ্ছে।রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ পাশে আছে। তবে এখন যেহেতু এমসিসি কোড চলছে প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে যা যা করার সব করবে।” তিনি খুবই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাগডোগরায় নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, ৫ জন মারা গিয়েছেন দুর্যোগে। আহতদের দেখতে রাতেই জলপাইগুড়ি যাচ্ছেন তিনি।যে ঝড় রবিবার বিকালে হয়েছে তা কালবৈশাখী নাকি টর্নেডো তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ময়নাগুড়ির একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যার সঙ্গে মিল রয়েছে টর্নেডোর। কয়েক মিনিটের ঝড় উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে সবকিছু। তার পরেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে এক নিহতের বাড়ি গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ফের এগোয় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। সকালে তিনি আবার ঘুরে দেখবেন উপদ্রুত এলাকা।

