নিশীথ দাস, উত্তর ২৪ পরগনা:- বারাসাত ময়না এলাকা থেকে রবিবার বিকেলা রামনবমীর যাত্রা শুরু হয়। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফ থেকে প্রতি বছরের মত এবছরও আয়োজন করা হয়, হাজার হাজার মানুষ এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে। প্রশাসনের ভূমিকায় খুশি হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। গত দুবছর করোনার কারণে উৎসব পালন করতে পারেনি, এবছর করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই হিন্দু জাগরণমঞ্চ উৎসব মুখর হতে দেখা গেলো। রামনবমী উৎসব পালনে কারো হাতে হাতে অস্ত্রও দেখাগেল, কিন্তু হাতে অস্ত্র কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে নেতৃত্ব জানান সব হিন্দু দেব দেবীর হাতেই অস্ত্র থাকে, সেখানে হিন্দুর হাতে অস্ত্র থাকবে না এটাই মুর্খামি। মিছিল বারাসাত ময়না এলাকা থেকে শুরু হয়, ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ডাকবাংলো পৌছায়, আবার সেখান থেকে শেঠপুকুর হয়ে মিছিল পৌছাবে বারাসাত থানায়, তারপর থানা থেকে বারাসাত বড়বাজারে গিয়ে রামনবমী উপলক্ষে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের এই মিছিল শেষ হয়।
রামনবমী উৎসব পালন হিন্দুজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে বারাসাতে৷
MORE NEWS – রামনবমীর মিছিল নিয়ে কামারহাটিতে তৃণমূল বিজেপি রণক্ষেত্র৷ 
নিশীথ দাস,উত্তর ২৪ পরগনা:- পুলিশ নয় আজ রামনবমীর মিছিল আটকালো খোদ কামারহাটির পৌরপিতা বিমল সাহা ৷ রামনবমী উপলক্ষে কামারহাটি পৌরসভার অন্তর্গত পাঞ্জাবি ভিলা মোর থেকে বিজেপি কর্মীদের মিছিল হওয়ার কথা ছিল, ঠিক মিছিল শুরু হওয়ার মূহূর্তেই কামারহাটি পৌরসভার পৌরপিতা বিমল সাহা পাঞ্জাবি হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে যান, ঠিক সেইসময় পুজো দেওয়ার পর হাতজোড় করে বিজেপি কর্মীদের বলেন এই স্থান থেকে কোনো মিছিল যাবে না যার যার পূজো দিতে ইচ্ছে তারা মন্দিরে পুজো দিয়ে বাড়ি চলে যান এই স্থানে কোনরকম উত্তেজনা সৃষ্টি করতে দেওয়া যাবে না৷ অপরদিকে বিজিবির পক্ষ থেকেও হাতজোড় করে বিনীত নিবেদন করা হয় যে তাদেরকে এই রামনবমীর মিছিল করতে দেওয়া হোক এর পরেই দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়৷ উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়া মাত্রই বেলঘড়িয়া থানা পুলিশ প্রশাসন ঘটনা স্থলে পৌছায়,পরে দু পক্ষের সাথে কথা বলে দু’পক্ষকেই ওখান থেকে সরিয়ে দেন৷

