সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেজরিওয়াল এখন বেশ অস্বস্তিতে
নিউজ ডেস্ক :- বুধবার ছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন। সেই আবেদন শোনেনি শীর্ষ আদালত। ফলে কেজরির জামিন হচ্ছে না। তাঁকে আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে।
দিল্লির আবগারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরীওয়াল। এই একই মামলায় জেলে থাকাকালীনই তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সেই মামলাতেই জামিন চেয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরীওয়াল। গত ৫ অগস্ট কেজরীওয়ালের মামলার শুনানিতে বিচারপতি নীনা বনসল কৃষ্ণের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সিবিআইয়ের গ্রেফতারির নেপথ্যে ‘ন্যায্য’ কারণ ছিল। তাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পদক্ষেপকে কখনওই বেআইনি বলা যাবে না। একই সঙ্গে কেজরীওয়ালের জামিনের আবেদন মামলার নিষ্পত্তিও করেছে দিল্লি হাই কোর্ট। হাই কোর্ট জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার পরই গত ১২ অগস্ট সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেখানেও হতাশ হতে হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে।
কেরিওয়ালের উপর এই অভিযোগ শুনে ক্ষুব্ধ হন সমস্ত বিরোধী দল। তারা বলেন এটা বিজেপির চক্রান্ত। বিরোধী কন্ঠকে চাপা দিতে চাইছে বিজেপি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে কেজরীওয়ালের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানান, কেজরীওয়ালকে গত ১০ মে আবগারি মামলায় অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল। তার পর জুলাই মাসে এই একই মামলায় তিনি জামিন পান। এমনকি, নিম্ন আদালতও সিবিআইয়ের একটি মামলায় কেজরীওয়ালের জামিন মঞ্জুর করেছে। কেজরীওয়ালেক তরফে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ বলে, ‘‘অন্তর্বর্তী জামিনের কথা বলবেন না। আমরা কোনও অন্তর্বর্তী জামিন দেব না।’’ উল্লেখ্য, দিল্লির আবগারি মামলায় গত ২১ মার্চ ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তার পর থেকে জেলেই রয়েছেন তিনি। যথেষ্ট হতাশ আম আদমি পার্টির নেতা কর্মীরা।

