Friday, April 17, 2026
- Advertisement -

চাকরি জীবন শুরু এবং চাকরি জীবন শেষ একই স্কুলে, শুধু স্মৃতি হয়ে রয়ে গেল বিদায় বেলা

- Advertisement -

বাঁকুড়াঃ- শিক্ষক এবং একজন পিতা দুইজনের ধর্মই যেন একই সূত্রে বাঁধা। একজন পিতা যেমন দায়িত্ব নিয়ে ভরণ পোষণ করে সন্তানকে আগলে রাখেন তেমনই একজন শিক্ষক দায়িত্বভার নিয়ে ছাত্রদের আলোর পথ দেখান। কিন্তু সেই শিক্ষকের বিদায় বেলা যেন অশ্রুজলকে সাক্ষী রাখে।

বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের গুরুধাম শান্তাশ্রম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবনের সহকারী শিক্ষক শ্রীযুক্ত দীপক কুমার পাল ১৯৯৭ সালে কার্যক্রম শুরু করেন এই স্কুলে৷ ২০২৩ সালে এই স্কুলই সাক্ষী থাকলো তার বিদায় বেলার। দীর্ঘ ২৫ ধরে তিনি ছাত্র গড়ার কাজে নিজেকে আত্মনিয়োজিত করেছিলেন, অবশেষে ঘনিয়ে এল তাঁর বিদায় বেলা। যদিও শিক্ষকদের বিদায়বেলা বলে কিছু হয় না,সারাটা জীবন মানুষ গড়ার দায় ভার যেন তাদের থেকেই যায়। আজ ৩১ জানুয়ারি কর্ম জীবন ত্যাগ করে অবসর জীবনে পাড়ি দিলেন দীপক বাবু। তাঁর অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী এদিন তাকে যেন ক্লান্ত নয়নে বিদায় জানালো, ইচ্ছে না থাকলেও নিয়ম-মাফিক বিদায় জানাতে তারা বাধ্য হলো।

ঐ বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ মান্ডি জানান, দীপক বাবু ছিলেন আমাদের বটবৃক্ষের মতো ওনার অবসর গ্রহণের পরে যেন বটবৃক্ষ নুয়ে পড়লো, শারীরিকভাবে ওনাকে হয়তো স্টাফ রুমে আর পাওয়া যাবে না কিন্তু মানসিকভাবে উনি সবসময় আমাদের সাথে থাকবেন।

সকল শিক্ষক থেকে শুরু করে পার্শ্ব শিক্ষক এবং স্কুলের অশিক্ষক কর্মীবৃন্দরাও যেন দুঃখ ভরা নয়নে বিদায় জানালেন দীপক বাবুকে। সবে মিলে একটি না ভুলতে পারা অধ্যায়ের সাক্ষী থাকলো গুরুধাম শান্তাশ্রম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments