Tuesday, April 21, 2026
- Advertisement -

আজ আচমকাই শোকের ছায়া নেমে এলো ইন্দাসের গুরু ধাম শান্তাশ্রাম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবনে

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া:- আজ আচমকাই শোকের ছায়া নেমে এলো ইন্দাসের গুরু ধাম শান্তাশ্রাম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবনে। তিনি ছিলেন এই বিদ্যাভবনে এক মহিরুহ হয়ে। সমগ্র বিদ্যালয়কে আগলে রাখতেন অভিভাবকের মতো। আজ পরলোকের ডাক পেয়ে তিনি চলে গেলেন সব মায়া কাটিয়ে। তাঁর অগণিত গুনমুগ্ধ ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের চোখের জলে ভাসিয়ে অন্তিমলোকে যাত্রা করলেন গুরু ধাম শান্তাশ্রাম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবনের বর্তমান স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি সুনীল কুমার পাল। প্রথম ছাত্রজীবন তিনি শুরু করেছিলেন এই স্কুলেই। বড় হয়ে কলেজ জীবন শেষ করে তিনি ফের কর্মজীবন শুরু করেন এখানেই। তাই এই গুরু ধামের সঙ্গে তাঁর যেন ছিল শেকড়ের টান। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস থেকে ২০০৫ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই স্কুলের চাকরি জীবনই ছিল তাঁর আসল সংসার। পরবর্তীকালে কর্মজীবন থেকে অবসর নিলেও স্কুলের শেকড় তাঁকে ছাড়েনি। ২০১১ সাল থেকে রাজ্য সরকার মনোনীত স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতির গুরুদায়িত্ব দিয়ে শ্রদ্ধেয় মানুষটিকে আঁকড়ে রেখে দিয়েছিল গুরু ধাম শান্তাশ্রাম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবন। কিন্তু ঈশ্বরের ডাকে এবার লৌকিক মায়া তাঁকে ছাড়তেই হলো। ৭৮ বছর বয়সে এসে বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন সুনীল কুমার পাল। আজ শেষ বারের মতো গুরুধাম শান্তাশ্রম ব্রহ্মানন্দ বিদ্যাভবনে এসে পৌঁছল সুনীল কুমার পাল মহাশয়ের নিথর দেহ। চোখের জলে তাঁকে বিদায় দিলেন সহকর্মী থেকে ছাত্রছাত্রীরা। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন বিদ্যা ভবনের শিক্ষকরা। বললেন ‘আমাদের অভিভাবকের মতো সুনীল কুমার পাল যে মায়ার বাঁধনে আমাদের বেঁধে দিয়ে গেলেন সেই বাঁধনেই আমরা তাঁকে বেঁধে রাখব। তিনি যে ইচ্ছে বীজ বপণ করে দিয়েছেন সেই বীজ একদিন তাঁর আদর্শ নিয়ে মহিরুহ হয়ে এই বিদ্যা ভবনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি ছিলেন, তিনি আছেন, তিনি আমাদের মনের মণিকোঠায় থাকবেনও’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments