Monday, April 20, 2026
- Advertisement -

ইউরিক এসিড – সমস্যা ও সমাধান 

- Advertisement -

 

ইউরিক এসিড – সমস্যা ও সমাধান

শরীরে ইউরিক এসিডের ভারসাম্য রক্ষা অত্যন্ত জরুরী। তা নাহলে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। এমনকি কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার পিছনেও অনেক সময় উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড দায়ী। ওষুধের সাহায্যে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানো যায়। তাই ইউরিক এসিডের ভারসাম্য রক্ষা করতে বিশেষজ্ঞারা কয়েকটি উপদেশ দিয়ে থাকেন। সেই উপদেশ মেনে চলতে পারলে ইউরিক এসিডের সমস্যা থেকে দূরে থাকা যাবে বলেই তাঁদের মত।

১) কফি ইউরিক এসিড কমাতে সাহায্য করে। তবে সকালে খালি পেটে কফি খাওয়া উচিত না। কিন্তু ব্রেকফাস্টের পর ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন। নিয়মিত কফি খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে যায়। কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইউরিক অ্যাসিডের উৎপাদন কমায় এবং কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে।

২) ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডকে শরীর থেকে বের করে ভিটামিন সি। লেবুজাতীয় ফল খেলেই দেহে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে।

৩) পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন। পিউরিন ভেঙে দেহে ইউরিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। সুতরাং, পিউরিন সমৃদ্ধ খাবারের প্রতি রাশ টানতে হবে। সামুদ্রিক খাবার, রেড মিট এড়িয়ে চলুন।

৪) অনেক সময় দেহে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে গেলেও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাও বেড়ে যায়। তখন গাউটের সমস্যা দেখা দেয়। ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখতে দানাশস্য, সবজি, ডাল ইত্যাদি খান। চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

৫) সকালে খালি পেটে আমলকির রস পান করুন। এই পানীয়তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি রয়েছে, যা দেহ থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডকে বাইরে বের করে দেয়।

৬) শুধু ডায়েট করে সুস্থ থাকা যায় না। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা কমাতে হলে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে হলে শরীরচর্চা জরুরি। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন। এতে দেহে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং কিডনির কার্যকারিতা উন্নত হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments