তৃণমূলের দুই ‘বাঘ’কে একই কায়দায় গ্রেফতার করেছে ইডি
নিউজ ডেস্ক : – একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস। এই দুজন নেতার ভয়ে এক সময় বীরভূম ও সন্দেশখালিতে বাঘে গোরুতে এক ঘাটে জল খেতো। তাদের একজনের বর্তমান ঠিকানা দিল্লির তিহার জেল ও অপরজন সম্ভবত সেই দিকেই এগোচ্ছে। হ্যাঁ আমরা অনুব্রত মন্ডল ও শেখ শাজাহানের কথা বলছি। দু’জনেই ‘বাঘ’। একজন বীরভূমের। অন্যজন সন্দেশখালির। অভিযোগও প্রায় একই। দুর্নীতির। একজনের বিরুদ্ধে গরুপাচার মামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগ। অন্যজনের বিরুদ্ধে রেশন দুর্নীতির টাকা পাচার ও জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। এদিকে অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রে ঘটনার পরম্পরা এমন ছিল যে গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির যাত্রাভঙ্গ করতে প্রথমে মাঠে নামে জেলা পুলিশ। একটি খুনের মামলায় প্রথমে গ্রেফতার করা হয়। তবে লাভ হয়নি, শেষ পর্যন্ত তাকে সিবিআই হেফাজতে যেতেই হয়। সিবিআই প্রথমে গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে গ্রেফতার করেছিল। হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আসানসোল জেলে যেতেই সময় নষ্ট না করে তাকে জেলে গিয়ে জেরা করে ইডি। তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগে জেলের ভিতরেই গ্রেফতার করা হয়। একই ছবি শাহজাহানের ক্ষেত্রেও। একইভাবে শেখ শাজাহানকে ইডি হেফাজতে নিয়েছে।
অনুব্রত মণ্ডলের কারণেই তার কন্যাকে জেল খাটতে হচ্ছে আর শাজাহানের পরিবারের মানুষদের দিকে লক্ষ এখনো ইডির। কষ্টে থাকা কেষ্ট ও সন্দেশখালির শাহজাহান, উভয়ই একসময়ের এলাকার ‘বাঘ’। রীতিমতো প্রভাবশালী। সেই প্রভাবই এজেন্সির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে। বর্তমানে কেষ্টর ঠিকানা হয়েছে তিহাড় জেল। ভবিষ্যতে শাজাহানের ঠিকানা তিহার জেলও হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন।

