Tuesday, April 21, 2026
- Advertisement -

পরীক্ষামূলক বেগুন চাষে সফল বাঁকুড়া নিবাসী কৃষক : পথ দেখালো রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন

- Advertisement -

রাম রোহিত বাউরি বাঁকুড়া জেলার অধীন ইন্দপুর ব্লকের বাঁশকেটিয়া গ্রামের বরিষ্ঠ কৃষক। রাম রহিত বাবুর পড়শোনা অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ। তিন সদস্য বিশিষ্ট পরিবারটির জীবন জীবিকা পশুপালন ও কৃষির উপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ১৫টি ছাগল, ৪টি গরুর পাশাপাশি চার বিঘা জমিতে ধান চাষ করেন রাম বাবু। এছাড়া বসত বাটি লাগোয়া পাঁচ কাঠা জমিতে কিছু ঘরোয়া সবজিও চাষ করেন। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের সহায়তায় রাম বাবু পরীক্ষামূলক ভাবে বেগুন চাষ করে সফল হওয়ার পর আজ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বাণিজ্যিক ভাবে বেগুন চাষের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন।

রাম রহিত বাবু রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন এর সম্পর্কে জানতে পারেন ২০২০ সালের জুন মাসে গ্রামের একজন কৃষকের কাছ থেকে। এরপর কনভার্জেন্স কর্মসূচিতে কৃষি দপ্তর থেকে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে ৫০-টি বেগুন গাছের চারা পান ফেব্রুয়ারী মাসে। বেগুন চাষের বিশেষ কোনো অভিজ্ঞতা না থাকায় সম্পূর্ণ ভাবে প্রথাগত পদ্ধিতিতেই চাষ শুরু করেন। গাছের রোয়া লাগান মে মাসের শেষ দিকে। কিন্তু ফসল একটু বড়ো হওয়ার পরেই পোকার আক্রমণ ঘটে এবং ফলনে ছিদ্র দেখা দেয়। সময় নষ্ট না করে রাম রোহিত বাবু সাথে সাথেই রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০৪১৯৮৮০০ তে ফোন করে কৃষি বিশেষজ্ঞ ডক্টর বরুন কুন্ডু -এর সাথে যোগাযোগ করেন এবং সুপারিশমতো ওষুধ প্রয়োগ করেন। কিছু দিনের মধ্যে পোকার আক্রমণ থেকে ফলন রক্ষা পায়।

পরীক্ষামূলক ভাবে এই বেগুন চাষের খরচ ছিল ২৭০০ টাকা, জুলাই মাসের শেষে মোট ফলন পেয়েছেন প্রায় ৪৮০ কেজি। বিক্রয়মূল্য প্রতি কেজি ২০/-টাকা। মোট মুনাফা প্রায় ৭০০০/- টাকা।
পরীক্ষামূলক ভাবে বেগুন চাষে উপকৃত হয় রাম মোহিত বাবু আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন ” অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে আমাদের কৃষি জমি সেভাবে ব্যবহার হয় না। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন টীম না থাকলে বেগুন চাষের বিষয়টা আমার একেবারেই অজানা ছিল। কৃষি বিশেষজ্ঞের সাহায্যে আমি প্রায় ৭০০০/- টাকা অতিরিক্ত লাভ করেছি, এখন পরিকল্পনা বাণিজ্যিকভাবে আরো বড়ো আকারে আগামী রবি মরশুমে বেগুন চাষ করার। “

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments