রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইনে উপকৃত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা মন্দিরা গোপ স্ব-নির্ভর গোষ্ঠী ব্যাঙ্ক সংযোগ কর্মসূচি আর শুধুমাত্র কর্মসূচীতে আবদ্ধ নয়, বরং একটি আর্থ সামাজিক আন্দোলন হিসেবে দেশ জুড়ে খ্যাতি লাভ করেছে। গ্রাম বাংলার কোনায় কোনায় মহিলারা আজ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উত্তরণের দিশা। এমনই একজন সফল গোষ্ঠীর সদস্যা হলেন বাঁকুড়া জেলার খাতড়ার মন্দিরা গোপ (২১)। মেধাবী মন্দিরার স্নাতক পাশ করার পর আর বেশিদূর পড়াশোনা করতে পারেন নি। বাবা পেশায় গৃহ শিক্ষক।
মন্দিরা জীবিকা নির্বাহের তাগিদে একটি দোকানে রিসেপশনিস্ট এর কাজ করেন । এছাড়া বাড়িতে দুটি গাভীও আছে। যা রোজগার হয় তাতে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট পরিবারটির মোটামুটি ভালোই চলে যায় – একটু স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বিকল্প পেশার সন্ধান করতে থাকেন মন্দিরা। এরই মধ্যে ২০২১ সালের শেষ দিকে পুরুলিয়া নিবাসী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা বনানী দাস মোদকের কাছ থেকে মন্দিরা রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইন নম্বর সহ অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য পরিষেবার কথা জানতে পারেন।
এরপর একদিন হেল্পলাইনে ফোন করে গোষ্ঠীর ঋণের উৎস জানতে চাইলে ফাউন্ডেশনের রিসৌর্স পার্সন রাজকুমার লস্কর ব্যাংক ও সংঘের মাধ্যমে লোণের বিস্তারিত তথ্য এবং কিভাবে এই ঋণ পাওয়া যাবে তার প্রক্রিয়াটি জানান। সেই অনুযায়ী একটি আয় রোজগারি কাজের পরিকল্পনা করে সংঘ থেকে ৩০০০০/- টাকা ঋণ নিয়ে একটি সেলাই মেশিন কেনেন, বাকি টাকা কার্যকরি মূলধন হিসেবে কাজে লাগান।
বর্তমানে এই ইউনিট থেকে মাসে গড়ে ১২০০/- টাকা রোজগার করে বিকল্প রোজগারের সন্ধান খুঁজে পেয়েছেন মন্দিরা। আত্মবিশ্বাসী মন্দিরা বলেন ” বর্তমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য বিকল্প পেশার সন্ধান করছিলাম। কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে পুঁজি জোগাড় করতে পারছিলাম না। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন থেকে ঋনের উৎস জানতে পেরে আজ আমি অনেকটাই উপকৃত। পাশাপাশি গোষ্ঠী সংক্রান্ত কোনো সমস্যায় পড়লেই হেল্পলাইন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারি। “

