বাড়িতে বন্দুক না রাখলে তিরস্কার শুনতে হতে পারে এই শহরে
বিষয়টা শুনলে সত্যি চমকে উঠতে হয়। আমরা যারা শান্তিতে বিশ্বাস করি, তারা বাড়িতে বন্দুক রাখার ঘোর বিরোধী। তাছাড়াও আমাদের দেশে বাড়িতে বন্দুক রাখার আইনগত ঝামেলা প্রচুর। সে যাই হোক, বিশ্বে এমন একটি শহর আছে, যেখানে প্রত্যেক বাড়িতে বন্দুক রাখতেই হবে। হ্যাঁ, এমনই একটি শহর হলো আমেরিকার জর্জিয়ার ছোট্ট শহর কেনেসী। এখানেই রয়েছে সেই অদ্ভুত আইন। এই শহরের প্রত্যেক বাড়ির সদস্যদের মাথাপিছু অন্তত একটি করে আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ থাকতেই হবে। এটাই নিয়ম।
১৯৮০ সালে প্রথম এই আইন প্রণয়ন করা হয়। শহরের প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সেই সময়ে সরকারের তরফে উদ্যোগ নিয়ে এই আইন প্রণয়ন করা হয়। সেই আইন অনুসারে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয় প্রতিটি পরিবারের প্রধানকে গোলাবারুদ সহ অন্তত একটি করে আগ্নেয়াস্ত্র রাখতে হবে। তবে এই আইন কতটা ঠিক তা নিয়ে আছে প্রচুর বিতর্ক। অনেকেই এর বিরুদ্ধে।
তবে কিছুটা ছাড় আছে আইনের। যেমন আইন অনুসারে সবার কাছেই যে বন্দুক রাখতে হবে বিষয়টা এমন নয়। কেউ যদি মানসিক বা শারীরিক ভাবে অক্ষমতার স্বীকার হন তাহলে তাঁর কাছে বন্দুক থাকাটা বাধ্যতামূলক নয়। এছাড়াও কেউ যদি অপরামূলক কাজের সঙ্গে অতীতে বা বর্তমানে যুক্ত হয়ে থাকেন অথবা কট্টরপন্থী কোনও ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে থাকেন তাহলে তাঁদের কাছে বন্দুক থাকাটা বাধ্যতামূলক নয়। গান ব্যারেল সিটি, টেক্সাস, ভার্জিন এবং উটাহ সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও পাঁচটি শহরে অনুরূপ বন্দুক আইন পাস করা হয়েছে। যদি এই আইন নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে। তবে কেনেসী শহরে অপরাধ কমাতে এই আইনের প্রভাব রয়েছে তা মেনে নেন অনেকেই।

