ভয় পেয়েছে মমতা”স্লোগান ভেসে বেড়াচ্ছে শহরতলিতে সরাসরি আটক শুভেন্দু অধিকারী, লকেট ও রাহুল সিনহা
তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক দাবী নিয়ে নবান্ন অভিযানে নেমেছেন বিজেপি নেতা ও কর্মী সহ একাধিক মানুষ। এবার সাতরাগাঁছি পৌঁছানোর আগেই এবার দ্বিতীয় হুগলি সেতুর কাছে আটক করা হয় শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায় ও রাহুল সিনহাকে। পুলিশের সাথে বচসা শুরুর পরেই প্রিজন ভ্যানে তুলে নেওয়া হয় তাদের। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে গেরুয়া বাহিনীর মিছিল আটকাতে রাখা হয়েছে নানা ব্যবস্থাও।
বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে সরগরম রাজ্য। তৃণমূল বিরোধী একাধিক স্লোগান মুখে নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন নবান্নের উদ্দেশ্যে।”ভয় পেয়েছে মমতা”স্লোগান ভেসে বেড়াচ্ছে শহরতলিতে।
আর এই কর্মসূচি রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে
প্রচুসংখ্যক পুলিশ বাহিনী। বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে ২০০০ পুলিশ, ৩২জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার, ৬২জন ইন্সপেক্টর মোতায়েনের ব্যবস্থা। রাখা হয়েছে বজ্র ও জলকামান। তিলোত্তমার চতুর্দিক ঢেঁকেছে নিরাপত্তার চাদরে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড।
নবান্ন অভিযানে বিপুল সংখ্যক পুলিশের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেছেন ,” আমি তো অবাক হয়ে যাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গে এত পুলিশ এলো কোথা থেকে? কয়লার গাড়ি, গরুর গাড়ি যাচ্ছে তখন পুলিশের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। পাড়ায় অশান্তি বোমাবাজি হলে থানায় ফোন করলে বলে ফোর্স নেই। আমরা মিটিং করলে নাকি ঝাড়খণ্ড থেকে লোক নিয়ে আসি। আজ তা ঠেকাতে ঝাড়খণ্ড, বিহার থেকে পুলিশ আনতে হচ্ছে নাকি? যদি এত পুলিশ থাকে তাহলে বাংলায় অপরাধ হচ্ছে কেনো? ইতিমধ্যেই ব্যারিকেড ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন অনেকে। পুলিশ সমর্থন না পেলেও এগিয়ে যাবেন গেরুয়া দল এমনটাই দাবি করছেন তাঁরা।

